এসআইআর ইস্যুতে এবার মমতা তৃণমূলকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে ২৭ লক্ষ নাম বাদের দায় বিজেপি বা কমিশনের নয়। শুভেন্দুর দাবি, এসআইআর নিয়ে বারবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে মমতা তৃণমূল। তারপরই সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগ করে। ওই অফিসাররাই নাম বাদ দিয়েছেন। উল্লেখ্য, শুক্রবারই সাংবাদিক বৈঠকে বসেছিল কমিশনের ফুল বেঞ্চ।
দুই নির্বাচনী কমিশনারের সঙ্গে মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারের ছবি মতভেদের বিতর্কের অবসান ঘটায়। কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, এসআইআর ইস্যুতে সর্বসম্মত ভাবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার সেই বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।নির্বাচন কমিশনারের বৈঠক নিয়ে শুভেন্দু বলেন,গতকালের এই ছবি বলে দিয়েছে এসআইআর-এর সিদ্ধান্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একার ছিল না। তিনজন সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এসআইআর কেরলে খুব ভাল, মিষ্টি।
কংগ্রেস জিতেছে, তাই বলছে। কংগ্রেসের কথা হল, কেরলে এসআইআর না হলে সিপিএম থেকে যেত। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে তো এসআইআর তিতো। কারণ বহু কষ্টে কংগ্রেস ভোট কাটাকাটির সুযোগে ঢুকে পড়েছেন, কত দিন থাকবে জানি না। সিপিএম তো সোশ্যাল মিডিয়াতে আছে, টক শোতে আছে।এরপরই শুভেন্দু দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর-এ নাম বাদের দায় তৃণমূলেরই। তার কারণ হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গতকাল সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ উল্লেখ করেছেন, বিহারের এসআইআর-এর সময় থেকে কংগ্রেস ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলি সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে।
বিহার থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে একবার নয়, একাধিকবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবং পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে আর্টিকেল ১৪২-প্রয়োগ করেছে। মূলত বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে ইআরও-দের পাওয়ার কেড়ে নিয়ে জুডিশিয়ার অফিসারদের নিয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট। মমতাকে নিশানা করে বলেন, আপনার কথা শুনেই তো সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।এরপরই শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গে ২৭ লক্ষ নাম বাদের দায় বিজেপি বা কমিশনের নয়। এর দায় তৃণমূলের।তৃণমূল ও সিপিএম-কেও একযোগে আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ৩৪ বছরের সিপিএমের অত্যাচার, অবিচার, সীমাহীন মানবাধিকার লঙ্ঘন, নন্দীগ্রাম থেকে নেতাই পর্যন্ত, তার উপরে দাঁড়িয়ে। সিপিএম এখন ওঁদের বন্ধু হয়েছে। সেই বন্ধুত্ব আমরা কিছুদিন আগে বিধানসভার ভিতরেও দেখেছি














