পূর্ব রেলওয়ে স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের (ইআরএসএ) উদ্যোগে মঙ্গলবার থেকে বেহালার ঘোলেশাপুরে পূর্ব রেলওয়ে সুইমিং পুল কমপ্লেক্সে শুরু হলো ৬৬তম সর্বভারতীয় রেল জলক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬-২৭। ৩ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এই আসরে সাঁতার, ডাইভিং ও ওয়াটার পোলো—এই তিন বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মঙ্গলবার বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ ও বরিষ্ঠ আধিকারিকদের উপস্থিতিতে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার গীতিকা পাণ্ডে।
২০২২-২৩ মরশুমের পর কলকাতায় পুনরায় এই টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জানান, সাঁতারু, ডাইভার ও ওয়াটার পোলো খেলোয়াড়দের উপযুক্ত পরিকাঠামো দিতে আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন এই কমপ্লেক্স প্রস্তুত করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এল বোম্বাইলা দেবী, সেবাস্টিয়ান জেভিয়ার, সোমা বিশ্বাস, সরস্বতী সাহা, আলি কামার, আকবর আলি মীর, অ্যারন ডি’সুজা, সৌরভ স্বর্ণকার, রবিন বোল্ডে, সাঙ্কেত শিন্ডে ও রশ্মি শর্মাকে সংবর্ধনা দেন জেনারেল ম্যানেজার। উত্তর, উত্তর-পূর্ব, উত্তর-মধ্য, পূর্ব উপকূল, দক্ষিণ-পূর্ব, দক্ষিণ-পশ্চিম, পশ্চিম, মধ্য, দক্ষিণ ও পূর্ব রেল এবং বেনারস লোকোমোটিভ ওয়ার্কস (বিএলডব্লিউ) ও রিসার্চ ডিজাইনস অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশন (আরডিএসও)—এই ১২টি দল থেকে মোট ১৯২ জন প্রতিযোগী অংশ নিচ্ছেন, যাঁদের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ৫০ জন আধিকারিক ও প্রযুক্তিবিদ।
সাত ফুট গভীরতার অলিম্পিক মাপের এই পুলটি সাধারণ নাগরিকদের জন্যও নির্দিষ্ট ফিয়ের বিনিময়ে উন্মুক্ত। সন্দ্বীপ সেজওয়াল ও অলিম্পিয়ান সাজন প্রকাশের পাশাপাশি অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়, সুপ্রিয় মণ্ডল, এমিল রবিনসিং এবং পবন গুপ্তদের মতো সাঁতারু তুলে ধরায় রেলের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি বলেন, “সহনশীলতা, গতি, শক্তি ও নিখুঁত দক্ষতার কঠিন পরীক্ষা নেয় জলক্রীড়া; এই আসর সফল করতে সব ধরনের পদক্ষেপ করা হয়েছে।”














