Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বর্ষা বিদায়েও ডেঙ্গির দাপট, বাঁকড়ায় ৭ দিনে আক্রান্ত ১৯-এর বেশি

বর্ষা বিদায়েও ডেঙ্গির দাপট, বাঁকড়ায় ৭ দিনে আক্রান্ত ১৯-এর বেশি

বর্ষা বিদায় নিতেই ডেঙ্গির প্রকোপ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে হাওড়ার ডোমজুড়ের বাঁকড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত ১৪ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে বাঁকড়া-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মণ্ডলপাড়া, নিউ মণ্ডলপাড়া ও উত্তর পাড়া এলাকায় ১৯ জনেরও বেশি মানুষ ডেঙ্গির উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন হাওড়া জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এক রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকার নর্দমায় আবর্জনা জমে থাকায় জল নিকাশির সমস্যা তৈরি হয়েছে। জমে থাকা জল মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করছে বলেও তাঁদের দাবি। দ্রুত নর্দমা পরিষ্কার ও আবর্জনা সরানোর ব্যবস্থা না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা বাসিন্দাদের।
বাঁকড়ার পাশাপাশি ডেঙ্গি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে হাওড়া শহরেও। জেলা স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে হাওড়া জেলায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৬২৩। এর মধ্যে ৩৫০ জন হাওড়া শহর এলাকার বাসিন্দা। গত বছর জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬৪৭। গত বছরের তুলনায় এ বার এখনও পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কম হলেও বাঁকড়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নতুন করে চিন্তা বাড়িয়েছে।

 

পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাঁকড়ায় ভেক্টর কন্ট্রোল টিম পাঠানো হয়েছে। মশা নিয়ন্ত্রণে তেল স্প্রে করার পাশাপাশি আবর্জনা সাফাইয়েও জোর দেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত, জেলা ও রাজ্য প্রশাসনের উদ্যোগে অতিরিক্ত কর্মী নামিয়ে পরিষ্কারের কাজ চালানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।হাওড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক কিশলয় দত্ত জানিয়েছেন, বাঁকড়া এলাকায় ডেঙ্গির প্রকোপ দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলে স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর।
ডেঙ্গি মোকাবিলায় নিয়মিত নর্দমা পরিষ্কার, জমা জল অপসারণ এবং মশার বংশবিস্তার রোখার উপরেই জোর দিচ্ছেন বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, সাময়িক সাফাই অভিযানের পাশাপাশি ধারাবাহিক নজরদারি জরুরি। বর্ষা-পরবর্তী সময়ে ডেঙ্গির প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর বাঁকড়ার বাসিন্দাদের।

READ MORE.....