Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বাংলার ভোটে আসছে আরও ১৫০ কোম্পানি

বাংলার ভোটে আসছে আরও ১৫০ কোম্পানি

রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই তেতে রয়েছে বাংলার মাটি। শান্তি বজায় রাখতে মরিয়া কমিশন এবার নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল। বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে আরও ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। ইতিপূর্বেই দফায় দফায় বাহিনী এসেছে রাজ্যে। নতুন এই দফায় বিশাল সংখ্যক বাহিনী আসায় বঙ্গ-ভোটে নিরাপত্তার বেষ্টনী আরও নিশ্ছিদ্র হতে চলেছে।
কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত। আগের মোতায়েন করা বাহিনীর সঙ্গে এই নতুন ১৫০ কোম্পানি যোগ দিলে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে নজরদারি আরও জোরদার হবে। মূলত সীমান্ত লাগোয়া জেলা এবং আগের রেকর্ড অনুযায়ী উত্তেজনাপ্রবণ এলাকাগুলোতে এই বাহিনীকে মোতায়েন করা হতে পারে। প্রতিটি বুথে ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন দিল্লির প্রধান লক্ষ্য।

 

রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধীরা বারবার সরব হয়েছেন। সেই প্রেক্ষাপটে কমিশনের এই তৎপরতা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। রুট মার্চ থেকে শুরু করে নাকা তল্লাশি—সর্বত্রই কেন্দ্রীয় জওয়ানদের সক্রিয় উপস্থিতি দেখা যাবে। কমিশনের এক আধিকারিকের কথায়, ‘আঁটসাঁট নিরাপত্তা বঙ্গ-ভোটে, রাজ্যে আসছে আরও ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী’। কোনোভাবেই যাতে ভোটাররা ভয় না পান, তা সুনিশ্চিত করতে চায় প্রশাসন।

 

বাহিনী মোতায়েনের এই প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হবে বলে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে জওয়ানদের থাকার জায়গা এবং টহলদারির ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হচ্ছে। ভোটারদের মনোবল বাড়াতে বাহিনী এখন থেকেই গ্রাম-গঞ্জের অলিগলিতে রুট মার্চ শুরু করবে। নির্বাচন কমিশনের এই কঠোর অবস্থানে স্পষ্ট যে, এবার একটি রক্তপাতহীন এবং স্বচ্ছ ভোট উপহার দেওয়াই তাদের একমাত্র চ্যালেঞ্জ। রাজনৈতিক মহলের মতে, বাহিনীর এই বিপুল উপস্থিতি ভোটের ময়দানে সমীকরণ বদলে দিতে পারে। সাধারণ মানুষের সুরক্ষা দিতে কোনো খামতি রাখতে চায় না কমিশন। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, কয়েক দিনের মধ্যেই রাজ্যে প্রবেশ করবে এই নতুন বাহিনী। সব মিলিয়ে ভোটের আগে কার্যত দুর্গে পরিণত হচ্ছে বাংলা।

READ MORE.....