Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

সচিন-কোহলি’র তুলনা টেনে কটাক্ষের মুখে ডিভিলিয়ার্স

সচিন-কোহলি’র তুলনা টেনে কটাক্ষের মুখে ডিভিলিয়ার্স

ভারতীয় ক্রিকেটের দুই মহাতারকা সচিন তেন্ডুলকর ও বিরাট কোহলির বিদেশের মাটিতে ব্যাটিং দক্ষতার তুলনা টানতে গিয়ে চরম উপহাস ও কটাক্ষের মুখে পড়লেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি ব্যাটার এবি ডিভিলিয়ার্স। পেস ও বাউন্স সহায়ক বিদেশি পরিস্থিতিতে সচিনের চেয়ে কোহলিকে এগিয়ে রেখে ডিভিলিয়ার্সের করা মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভারতের প্রাক্তন ফাস্ট বোলার ডোড্ডা গণেশ।

 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ডিভিলিয়ার্স দাবি করেন যে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ভারতীয় ব্যাটারদের সফল হওয়ার রাস্তা সচিন তৈরি করে দিলেও সামগ্রিক শক্তির নিরিখে কোহলি তাঁকে ছাপিয়ে গেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকার এই প্রাক্তন তারকা মন্তব্য করেছিলেন, “আমার সচিন তেন্ডুলকরের কথা মনে পড়ে, যিনি অনেক আগে ভারতের হয়ে এই ধারার সূচনা করেছিলেন। তা সত্ত্বেও তিনি বিরাট কোহলির মতো এতটা শক্তিশালী ছিলেন না, কোহলি ছিলেন আরও একধাপ এগিয়ে। তবে উপমহাদেশের ব্যাটার হয়েও যে বাউন্সি ও সিম সহায়ক পরিস্থিতিতে ভালো খেলা যায়, সচিনই প্রথম তা করে দেখিয়েছিলেন।

 

বিরাট সেই ধারাকে আরও এগিয়ে নিয়ে গিয়ে মানদণ্ডকে আরও উঁচুতে তুলে ধরেছেন।” ডিভিলিয়ার্সের এই বিশ্লেষণ একেবারেই মেনে নিতে পারেননি প্রাক্তন ভারতীয় পেসার ডোড্ডা গণেশ; সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে চরম তির্যক মন্তব্য করে তিনি লেখেন, “নেশার জিনিসটা এবার হাতবদল করো, ভাই।” অর্থাৎ নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এমন মন্তব্য করা হয়েছে বলেই ইঙ্গিত করেন তিনি। এর আগে ডিভিলিয়ার্স আরও উল্লেখ করেছিলেন যে বিদেশের মাটিতে সচিন ও কোহলির ঐতিহাসিক সাফল্যই বর্তমান প্রজন্মের ভারতীয় ক্রিকেটারদের পথ দেখাচ্ছে। তিনি বলেন, “তাঁদের সাফল্যের কারণেই লোকেশ রাহুল এবং দেবদূত পাড়িক্কালের মতো বর্তমানের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার সেই ধারা বজায় রেখে এক বিরাট কিংবা সচিনের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে শুরু করেছেন।”

 

তবে ভারতীয় দলের তারকা ব্যাটার লোকেশ রাহুলের প্রশংসার পাশাপাশি তাঁর উন্নতির জায়গাও ধরিয়ে দেন ডিভিলিয়ার্স। রাহুল প্রসঙ্গে তিনি জানান, “রাহুল এমন একজন ব্যাটার যাঁর টেকনিক অত্যন্ত নিখুঁত এবং ভারতীয় ব্যাটিং লাইন-আপে ও এক বড় সম্পদ। কিন্তু বিদেশের মাটিতে ওর ব্যাটিং গড় মাত্র ৩৪। ফলে প্রত্যাশা স্বাভাবিকভাবেই আরও বেশি থাকবে এবং এই একটা জায়গায় ওকে কাজ করতে হবে। ক্রিজে একবার জমে গেলে ওকে আরও বড় রান তুলতে হবে; শুধু ১০০ করলেই চলবে না, সেটাকে ১৮০-তে নিয়ে যেতে হবে, কারণ প্রথম বলেই শূন্য রানে আউট হওয়া কিংবা নতুন বলে প্যাভিলিয়নে ফেরার ঝুঁকি সবসময়ই থেকে যায়। ফলে ওর ক্ষেত্রে আসল খেলাটাই হলো বড় স্কোরগুলোকে আরও অনেক বড় স্কোরে রূপান্তর করা।”

READ MORE.....