Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

৩ হাজার ৭০ কোটির প্রতিরক্ষা সামগ্রী দেশেই তৈরির সিদ্ধান্ত

৩ হাজার ৭০ কোটির প্রতিরক্ষা সামগ্রী দেশেই তৈরির সিদ্ধান্ত

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা বাড়াতে এবং ভিনদেশ থেকে আমদানি কমাতে আরও এক বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীনস্থ প্রতিরক্ষা উৎপাদন বিভাগ(ডিডিপি) ষষ্ঠ ‘পজিটিভ ইন্ডিজেনাইজেশন লিস্ট’ বা দেশীয়করণের তালিকা প্রকাশ করেছে।

 

এই তালিকায় প্রায় ৩,০৭০ কোটি টাকার বাণিজ্যিক সম্ভাবনাময় মোট ৪০৫টি কৌশলগত প্রতিরক্ষা সামগ্রী অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে ৩৮৯টি সামগ্রী প্রতিরক্ষা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির (ডিপিএসইউ) জন্য এবং ১৬টি ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষেত্র আরও শক্তিশালী হবে, দেশীয় শিল্পে নতুন বিনিয়োগ ও উদ্ভাবন উৎসাহিত হবে এবং বিদেশের ওপর নির্ভরতা অনেকটাই হ্রাস পাবে।

 

এই তালিকায় অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার, লাইট ইউটিলিটি হেলিকপ্টার, সু-৩০এমকেআই বিমান, লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফট এবং এএল-৩১এফপি ইঞ্জিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মের যন্ত্রাংশ রয়েছে। এছাড়া টি-৭২ ও টি-৯০ ট্যাঙ্ক, বিএমপি-২ সাঁজোয়া গাড়ি, যুদ্ধজাহাজ, কোনকার্স-এম, ইনভার ও এমআরএসএএম-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার নানা যন্ত্রাংশ এবং রেডার, সোনার ও স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থার মতো প্রতিরক্ষা ইলেকট্রনিক্স সামগ্রীও এই তালিকায় রাখা হয়েছে। হাই এক্সপ্লোসিভ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গোলাবারুদ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জামও নির্দিষ্ট সময়সীমা মেনে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হবে।

 

সফলভাবে তৈরির পর এই সামগ্রীগুলি সরাসরি ভারতীয় সংস্থাগুলি, বিশেষ করে ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) ক্ষেত্র থেকে কেনা হবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের আগস্টে চালু হওয়া ‘সৃজন’ ডিফেন্স পোর্টালের মাধ্যমে গত জুন পর্যন্ত প্রায় ৩৩ হাজারের বেশি প্রতিরক্ষা সামগ্রী দেশীয়করণের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫,৭০০টিরও বেশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সফলভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে উৎপাদন সম্ভব হয়েছে, যার ফলে গত পাঁচ বছরে প্রায় ৯,০০০ কোটি টাকার আমদানি ব্যয় সাশ্রয় হয়েছে। পাশাপাশি, ডিপিএসইউগুলি গত মার্চ পর্যন্ত ঘরোয়া ভেন্ডার বা ভারতীয় সংস্থাগুলিকে প্রায় ১০,০০০ কোটি টাকার ক্রয়াযোগ বা প্রোকোরমেন্ট অর্ডার দিয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক ও সামরিক পরিকাঠামোকে আত্মনির্ভর করে তোলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

READ MORE.....