মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) দাবি, সেই সময় পা ভাঙেনি মমতার। শনিবার সকালে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে বাঙ্গুর ইনস্টিটিউট অফ নিউরো সায়েন্সেসের রিপোর্ট প্রমাণ হিসাবেও তুলে ধরেন তিনি। এই ঘটনার ফের নতুন করে তদন্তের নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন। তাই সেখানে আপাতত নির্বাচনী আচরণবিধি লাগু রয়েছে। ভোট মিটলেই তদন্ত হবে বলেই জানান মুখ্যমন্ত্রী।

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন। প্রচারে ঝড় তুলে জেলায় জেলায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচনের দিন কুড়ি আগে নন্দীগ্রামে বিরুলিয়ায় প্রচারে গিয়ে পায়ে চোট পেয়েছিলেন মমতা। তাঁর পা ভেঙে গিয়েছিল বলেই জানা যায়। তারপর প্লাস্টার করা পায়ে হুইলচেয়ারে বসেই বাকি নির্বাচনী প্রচার সেরেছিলেন। সে সময় প্রচারমঞ্চে হুইলচেয়ারে বসে ফুটবল ছুড়ে স্লোগান তুলেছিলেন, ‘ভাঙা পায়েই খেলা হবে।’ রবিবার নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের প্রচারে গিয়ে মমতার পা ভাঙা প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন শুভেন্দু।
তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে হেরেই তো ঘরে ঢুকে গিয়েছিল। ভালো পায়ে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে ঘুরছিল। আমি কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করি না। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর পিজি হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আমি ওখানকার সভাপতি, ওটা ভবানীপুরের মধ্যে পড়ে। এক্স-রে প্লেট তো ডাক্তারের থাকে না, রোগী পেয়ে যায়। রিপোর্টটা থাকে। আমার কাছে ওই কাগজটা রয়েছে। সেদিন আপনাদের বদনাম করেছিল। লোহার বিমে গাড়ির দরজা লেগেছিল। দরজাটা ফিরে এসে তাঁর পায়ে একটু লেগেছিল। আর পা ভেঙেছে বলে ব্যান্ডেজ লাগিয়ে ঘুরছিল। তখন উনি মুখ্যমন্ত্রী। ওঁর ডাক্তাররাই লিখেছিল নো ফ্র্যাকচার। যেদিন দরকার হবে ওই কাগজটা দেখিয়ে দেব।














