ইন্টারভিউয়ের তালিকায় নাম না থাকায় ফের দিল্লির পথে ২০১৬–এর চাকরিহারা ‘যোগ্য’ শিক্ষকরা। বৃহস্পতিবার অনেকে রওনা দিয়েছেন রাজধানীর উদ্দেশে। লক্ষ্য একটাই,সুপ্রিম কোর্টে কিউরেটিভ পিটিশন দাখিল। তাঁদের দাবি, পুরোনো চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হোক। গত ৩ এপ্রিল তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর নিয়োগ এক লপ্তে বাতিল করে নতুন নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছিল।
এরপর এসএসসি নবম–দশম ও একাদশ–দ্বাদশে নতুন করে লিখিত পরীক্ষা নেয়। কিন্তু একাদশ–দ্বাদশ স্তরের ইন্টারভিউ তালিকা প্রকাশে দেখা যায়, বহু ‘নন–টেন্টেড’ শিক্ষক ডাক পাননি। এই নিয়ে তীব্র ক্ষোভ যোগ্যদের মধ্যে। তাঁদের বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চাকরি বহাল থাকলেও এরপর কী হবে অনিশ্চিত। তাই ন্যায়ের ব্যতিক্রমের অভিযোগ তুলে তাঁরা কিউরেটিভ পিটিশনে নিজেদের অবস্থান জানাতে চান। আদালতের আগের রায়ে ‘টেন্টেড’ প্রার্থীর সংখ্যা স্পষ্ট না হওয়ায় বিভ্রান্তি হয়েছে বলেই তাঁদের দাবি।
এখন এসএসসি–র যাচাইকৃত তালিকা হাতে নিয়েই তাঁরা ফের আদালতের দ্বারে যাচ্ছেন। যোগ্য শিক্ষকদের মধ্যে অনেকেই ফের পরীক্ষায় বসেও ইন্টারভিউ কল পাননি। শুভজিৎ দাস জানান, ১৭৫ জন যোগ্য শিক্ষক এই অবস্থায় রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ১৪৮ জন সিঙ্গল সাবজেক্ট টিচার। ডিসেম্বরের পর তাঁদের চাকরি থাকবে না। অন্য দিকে, ২০১৬–এর ওয়েটিং লিস্টে থাকা ‘বঞ্চিত’ প্রার্থীদের অবস্থাতেও তেমন পরিবর্তন নেই। শহিদুল্লাহর অভিযোগ, বয়সসীমা পেরিয়ে যাওয়ায় অনেকেই পরীক্ষায় বসতেই পারেননি। ফাইল ফটো।













