Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বঙ্গ বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণা, নিশীথ-সৌমিত্রদের কাঁধেই বিজেপির ভার

বঙ্গ বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণা, নিশীথ-সৌমিত্রদের কাঁধেই বিজেপির ভার

আগামী বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বাজিয়ে বুধবার নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণা করল বঙ্গ বিজেপি। নয়া সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে তৈরি এই কমিটিতে একঝাঁক রদবদল ঘটিয়েছে পদ্ম শিবির। লক্ষ্য স্পষ্ট, ২০২৬-এর আগে দলের অন্দরের ক্ষোভ মিটিয়ে পুরনো ও নতুনদের সংমিশ্রণে ঘর গুছিয়ে নেওয়া। এই নতুন কমিটিতে যেমন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জায়গা পেয়েছেন, তেমনই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তৃণমূল থেকে আসা তাপস রায়কেও। মূল রাজ্য কমিটির পাশাপাশি সাতটি মোর্চার সভাপতিদের নামও এদিন চূড়ান্ত করেছে বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই সংগঠনকে মজবুত করতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়ল গেরুয়া শিবির।

 

বিজেপির নয়া রাজ্য কমিটিতে ১২ জনকে সহ-সভাপতি বা ভাইস প্রেসিডেন্ট করা হয়েছে। এই তালিকায় হেভিওয়েট নাম হিসেবে রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। তাঁর সঙ্গেই এই গুরুত্বপূর্ণ আলঙ্কারি পদে থাকছেন শিলিগুড়ির বিধায়ক মনোজ টিগ্গা ও অগ্নিমিত্রা পাল। বরাহনগরের প্রাক্তন বিধায়ক তাপস রায়কেও সহ-সভাপতি করে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। দলের একাংশের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যেই সরব হওয়া রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এই পদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদকের মতো সাংগঠনিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তাঁর সঙ্গে এই পদের ব্যাটন সামলাবেন জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো। শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষকে দেওয়া হয়েছে সম্পাদকের দায়িত্ব।

 

মোর্চা কমিটিগুলিতেও বড়সড় বদল এনেছে বিজেপি নেতৃত্ব। সাংসদ খগেন মুর্মুকে এসটি মোর্চার দায়িত্ব দিয়ে আদিবাসী ভোটব্যাঙ্ক নিশ্চিত করার কৌশল নেওয়া হয়েছে। যুব মোর্চার ভার থাকছে ইন্দ্রনীল খাঁর কাঁধে এবং মহিলা মোর্চার সভানেত্রী করা হয়েছে ফাল্গুনী পাত্রকে। এছাড়াও সংখ্যালঘু মোর্চার দায়িত্বে আনা হয়েছে আলি হোসেনকে। তবে এই নতুন তালিকায় জায়গা হয়নি প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল কিংবা অশোক দিন্দার মতো বেশ কিছু পরিচিত মুখ ও বিধায়কদের। দলীয় সূত্রে খবর, ২০২৬-এর নির্বাচনে যাঁরা প্রার্থী হতে পারেন, তাঁদের অনেককে সংগঠনের গুরুদায়িত্ব থেকে মুক্ত রাখা হয়েছে যাতে তাঁরা নিজেদের কেন্দ্রে বেশি সময় দিতে পারেন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের এসআইআর প্রক্রিয়া মিটে গেলেই রাজ্যে ভোটের দামামা বেজে যাবে।

 

তার আগেই রাজ্য কমিটির এই পুনর্গঠন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। একদিকে যেমন পুরনো দিনের ‘আদি’ বিজেপি নেতাদের ফেরানো হয়েছে, তেমনই নতুন যোগদানকারীদের গুরুত্বপূর্ণ পদ দিয়ে দলের ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। মূলত সাংগঠনিক রদবদলের মাধ্যমে দলের অন্দরের কোন্দল থামিয়ে একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিতে চাইছে মুরলীধর সেন লেন। এখন দেখার, শমীক-নিশীথ-সৌমিত্রদের এই নতুন টিম বিধানসভা নির্বাচনে শাসকদলকে কতটা টক্কর দিতে পারে। ফাইল ফটো ।

READ MORE.....