Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বালির বস্তায় বাঁধ মানল না, তলিয়ে গেল পাঁচটি বাড়ি

বালির বস্তায় বাঁধ মানল না, তলিয়ে গেল পাঁচটি বাড়ি

বালির বস্তায় বাঁধ মানল না পদ্মা তলিয়ে গেল কংক্রিটের পাঁচটি বাড়ি। ফের লালগোল থানার বিলবোরাকোপরা গ্রাম পঞ্চায়েতের তারানগরে বড়সড় ভাঙন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে পাশের গ্রাম গুলিতে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ব্লক প্রশাসন হাজির হন এলাকায়। ভিটে হারানো পরিবার গুলোকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় নিরাপদ এলাকায়। এই ব্যাপারে লালবাগের এসডিও বনমালি রায় বলেন,” ইতিমধ্যে তিনটি বাড়ি তলিয়ে গিয়েছে, এখন দুটি বাড়ি বিপজ্জনক অবস্থায় আছে। ওই সব বাড়ির সদস্যদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এলাকার মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। নদীর জল কমলে স্থায়ী ভাবে ভাঙন রোধের কাজ শুরু করা হবে।”

 

বেশ কয়েক বছর থেকেই পদ্মার ভাঙনে বিদ্ধস্ত লালগোলার তারানগর এলাকা। ইতিমধ্যে ওই এলাকার আম বাগান, ফসলি জমি, সীমন্ত রক্ষী বাহিনীর টহলদারি সড়ক, স্কুল ভবন সহ বেশ কয়েকটি বাড়ি নদি ভাঙনে তলিয়ে গিয়েছে। ফের এবছর নদিতে জল বাড়তেই ভাঙন শুরু হওয়ায় বালির বস্তা দিয়ে ভাঙন রোধের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২ টা নাগাদ বালির বস্তা সহ ভেঙে পড়ল ৫ টি বাড়ি। প্রাক্তন ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিক ইসলামুদ্দিন শেখ, কৃষক এনামূল হক, সেতাবুর রহমান, পরিযায়ী শ্রমিক রাকিবুল ইসলাম, রফিকুল ইসলামের বাড়ি তলিয়ে গিয়ে সর্বস্য হারা হলেন।

 

ওই সব পরিবারের সদস্য ছাড়াও আশপাশের পরিবার গুলো স্থানীয় তারানগর প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালিনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাথা গুঁজবার ঠায় নিয়েছেন। এই ব্যাপারে কৃষক এনামূল হক বলেন,” এর আগে জমি জিরাত নদি গর্ভে তলিয়েছে। শেষ সম্বল বাড়ি টুকু ছিল তাও চলে গেল। এখন আমরা রাস্তার মানুষে পরিনত হলাম।” ওই বাড়ি গুলি তলিয়ে যাওয়ার পর পদ্মার ফাটল দেখে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন ঘোষপাড়া, মধ্যপাড়ার বাসিন্দারা। এই ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা শ্যামল কুমার ঘোষ বলেন,” বালির বস্তায় কোনও কাজ হবে না।

 

পদ্মা যে ভাবে ভাঙতে শুরু করেছে তাতে বিলবোরাকোপরা মৌজার তারানগর নিশ্চিহ্ন হতে বসেছে। ফলে সরকারের বরাদ্দকৃত টাকায় স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধের কাজ না হলে মৌজার বেশ কয়েকটি গ্রাম পদ্মায় তলিয়ে যাবে। ” রাজ্য সরকার ওই এলাকার ভাঙন রোধে ৭ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে, তার মধ্য প্রাথমিক ভাবে বালির বস্তা দিয়ে ভাঙন রোধের কাজ শুরু করা হয়েছিল একথা জানিয়ে স্থানীয় বিধায়ক মহম্মদ আলী বলেন, ” বালির বস্তা উপর দিয়ে জল প্রবাহিত হতে শুরু করাই ওই কাজ শেষ করা যায়নি। তবে জল কমতে শুরু করলে ভাঙন রোধের স্থায়ী কাজ শুরু করা হবে।

READ MORE.....