দুর্গাপূজা হিন্দুদের উৎসব। এর পবিত্রতা নষ্ট করা ঠিক নয়। দেবী পক্ষের সূচনায় এভাবেই মহালয়ার পুণ্য লগ্নে নিজের গড় কাঁথিতে দুর্গাপুজোর উদ্বোধন শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র খোঁচা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কাঁথির চৌরঙ্গী রিক্রিয়েশন ক্লাবের ২৮তম দুর্গাপূজা উদ্বোধন করলেন। পুজো উদ্বোধনের মঞ্চ থেকে শুভেন্দু নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। শুভেন্দু অধিকারী তাঁর বক্তব্যে বলেন, দুর্গাপূজা হিন্দুদের উৎসব। কিছু মানুষ রাজনীতির জন্য ধর্মের সঙ্গে আপস করছেন। দেবীপক্ষের সূচনায় মহালয়া উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
রবিবার এক্স হ্যান্ডেলে শুভেন্দু লিখেছেন, আজ প্রভাতে, সে সুরও শুনে খুলে দিনু মন। বাজলো, বাজলো… বাজলো তোমার আলোর বেণু। আজ মহালয়া। পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের শুভ সূচনা। দেবীপক্ষের শুভ সূচনালগ্নে সকলকে জানাই শুভ মহালয়া। মা মহামায়া সকলের মঙ্গল করুন।
সম্প্রতি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ও মতুয়া সম্প্রদায়ের নেত্রী মমতাবালা ঠাকুর মন্তব্য করেছিলেন যে সিএএ কার্যকর হলে ভারত নেপালের মতো হয়ে যাবে। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে এবার সরাসরি পাল্টা দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, মমতাবালা ঠাকুরকে আগে রাঁচি ঘুরে আসা উচিত। ওঁর মন্তব্য শুনে মনে হচ্ছে ওঁর মন পাকিস্তানে পড়ে আছে।
এই মন্তব্য করে শুভেন্দু মমতাবালা ঠাকুরের মানসিক সুস্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং তাঁর বক্তব্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়ে বলেন, সিএএ আইন নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। এই আইন কারো নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে না, বরং তা দেবে। তৃণমূল এবং তার নেতারা রাজনৈতিক লাভের জন্য সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। একইসঙ্গে তিনি মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতি আস্থা রেখে বলেন, মতুয়ারা জানেন সিএএ তাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এই আইন কার্যকর হলে তাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে।
দিদিমণির দলের আর এক উন্মাদ বলছেন সিএএ-এনআরসি হলে নেপালের মতো হবে। পাগলের মতো কথা বলছেন। ওনাকে রাঁচি পাঠানো দরকার। ভারতবর্ষ একটা আলাদা দেশ। নেপালের থেকে বহু বড় দেশ। তাই নেপালের সঙ্গে ভারতবর্ষের তুলনা করাটা একেবারে হাস্যকর। শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ওনাকে এখন রাঁচির ইনস্টিটিউট অফ মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড অ্যালাইড সায়েন্সেস-এ ভর্তি করানো দরকার। উনি পাগলের মতো কথা বলছেন।













