বাংলাদেশী মডেল অভিনেত্রী শান্তা পালের দুটি ব্যাংক একাউন্ট এবং চারটি গাড়ির হদিশ মিলেছে। ওই সব একাউন্টে কারা টাকা পাঠাতেন এবং কাদের সঙ্গে লেনদেন হত তা নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেছেন লালবাজারে গোয়েন্দারা। যে দুটি ব্যাংক একাউন্ট পাওয়া গিয়েছে তার মধ্যে একটি হল বেসরকারি ব্যাংক। গোয়েন্দারা এখন একাউন্টে পারা টাকা ফেলেছে তা নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেছে। এর পাশাপাশি অন্য ব্যক্তির নামে ঋণ নিয়ে গেস্টহাউস নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিল এই বাংলাদেশি অভিনেত্রী মডেল। যার নামে ওই ব্যাংক ক্রিম নেওয়া হয়েছিল তার খোঁজখবর শুরু করেছে পুলিশ।
শান্তা পাল যে চারখানা গাড়ি কিনেছিলেন তার টাকা কে দিয়েছিল। তাই নিয়েও তদন্ত হচ্ছে। ওই চারটি গাড়ি ব্যবসায়িকভাবে ভাড়া কাটানো হত।ভাঁড়ার টাকা কে পেত। ব্যাংকের কিভাবে পরিশোধ করা হতএসব নিয়ে তদন্তকার চালাচ্ছে। পুলিশের কাছে শান্তা দাবি করেছে সেই বিবাহিত। পুলিশ তার কাছে ম্যারেড সার্টিফিকেট চাও সত্ত্বেও পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ বাংলাদেশী হয়ে সে একজনকে বিয়ে করে নাগরিকত্ব পেতে চাইছিল। এইসব বিষয় নিয়েও তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। তবে তদন্ত যত এগোচ্ছে দেখা যাচ্ছে ততই নানান তথ্য সামনে আসছে। গোয়েন্দারা লালবাজারে তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে।যেসব প্রশ্নের উত্তর সে দিয়েছে সে সব সত্যি কিনা তাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।













