Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

যাদবপুরে বন্দে মাতরম্-তেরঙ্গা নিয়ে আপস নয় : মুখ্যমন্ত্রী

যাদবপুরে বন্দে মাতরম্-তেরঙ্গা নিয়ে আপস নয় : মুখ্যমন্ত্রী

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ঘিরে ফের উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এই আবহে শনিবার ভবানীপুরে অন্নপূর্ণার একটি অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ, বিরোধীদের ভূমিকা এবং সংবাদমাধ্যমের একাংশের অবস্থান নিয়ে সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

 

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে ও বাইরে ‘জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা’ তাঁর সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলে স্পষ্ট জানিয়ে তিনি বলেন, এই ইস্যুতে সরকার নিজের অবস্থান থেকে একচুলও সরবে না।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বন্দে মাতরম্ গাওয়া এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রেও বাধা দেওয়া হয়েছে। এমনকি ক্যাম্পাসে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগেও বাধা এসেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে এক শ্রেণির ‘টুকড়ে-টুকড়ে গ্যাং’ এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি সক্রিয় রয়েছে।এই প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের একাংশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।

 

তাঁর দাবি, যারা ২৬ জানুয়ারি বা ১৫ অগস্ট পালন করে না, তাদের পক্ষেও সংবাদমাধ্যমের একাংশ সহানুভূতি দেখাচ্ছে। তবে এসব নিয়ে সরকারের অবস্থানে কোনও পরিবর্তন হবে না বলে স্পষ্ট করে দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যেই কাজ করছে। রাষ্ট্রবাদ, সনাতন সংস্কৃতি, বন্দে মাতরম্, তেরঙ্গা এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতো মনীষীদের আদর্শের সঙ্গে কোনও আপস করা হবে না। একইসঙ্গে কালীঘাট, দক্ষিণেশ্বর ও তারকেশ্বরের মতো ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাসের সঙ্গেও সমঝোতার প্রশ্ন নেই বলে জানান তিনি।যাদবপুর ইস্যুতে বিরোধীদের আন্দোলনকেও কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

 

সোশ্যাল মিডিয়ায় রিল তৈরি করে কিংবা রাস্তায় অল্প সংখ্যক মানুষকে নিয়ে আন্দোলন করে সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিরোধীরা ‘উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে’ চাপানোর চেষ্টা করছে বলেও কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী।তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়েও এদিন আক্রমণাত্মক ছিলেন তিনি। তৃণমূলকে ‘খণ্ড-বিখণ্ড দল’ বলে কটাক্ষ করে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, দলের নেতৃত্ব বর্তমানে দিশাহীনভাবে ঘুরছে। একইসঙ্গে সিপিএমকেও নিশানা করে তাঁর মন্তব্য, যে দলের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে, তারা যতই ‘মরা কান্না’ কাঁদুক না কেন, তাদের রাজনৈতিক প্রভাব খুব বেশি দূর গড়াবে না।

READ MORE.....