যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কোথাও রাস্তা মেরামত হয়েছে। আবার কোথাও নতুন করে ধসে বিধ্বস্ত রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। তবে ধীরগতিতে, সব দিক নজর রেখে চালকদের গাড়ি চালাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। এই রাস্তা বন্ধ থাকায় পর্যটনে কয়েকশো কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে দাবি করা হয়েছে পর্যটন সংস্থার তরফে।
পাহাড়ে দীর্ঘদিন ধরেই ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলছিল। দার্জিলিং, কালিম্পং থেকে সিকিমের বিভিন্ন জায়গায় ধস নামতে শুরু করে। জাতীয় সড়কের একটা দিক বন্ধ করে যান চলাচল চলতে থাকে। মঙ্গলবার সকালে শিলিগুড়ি-সিকিম সড়ক যোগাযোগের ‘লাইফ লাইন’ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের লিকুভিড়ে ফের ভূমিধস নামে। ২৯ মাইল, মিরিক-সহ একাধিক জায়গায় ধস নামতে দেখা যায়।
রাস্তার একটা অংশ ভেঙে তিস্তার গর্ভে চলে গিয়েছিল। এনএইচআইডিসিএল কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞপ্তি জারি করে জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে। জানানো হয়, ১৫ আগস্ট খুলবে জাতীয় সড়ক। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে শুরু হয় রাস্তা তৈরির কাজ। বাণিজ্যের কথা মাথায় রেখেই এই রাস্তা চালু করতে তৎপর হয় প্রশাসন। রাস্তা চালু হলেও পুরোপুরি স্বস্তি এখনও ফেরেনি বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। কারণ, রাস্তা চালু হলেও বেশ কিছু জায়গায় খুব খারাপ অবস্থা। তাই চালকদের ধীর গতিতে গাড়ি চালানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।














