কে বলবে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকা ফ্রেজারগঞ্জের বকখালি পর্যটন কেন্দ্র,অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রের থেকে পিছিয়ে আছে, সেই কথাগুলোকে ভুল প্রমাণিত করে ইতিমধ্যে রাজ্যের বড় বড় পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে পেছনে ফেলে পর্যটকদের মনের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। মাছ ভাজা বা মাছের চপ বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় খাদ্য, আর যদি সামুদ্রিক মাছ হয় তাহলে তো আর কোন কথাই নেই।
এবার বকখালি পর্যটক কেন্দ্রের সমুদ্র সৈকতে বিভিন্ন সমুদ্রের মাছের ভাজা পর্যটকদের মনের জায়গা করে নিল। বসলো ১২টি দোকান, যেখানে পর্যটকদের চাহিদা মত টুনা মাছ, পকোড়া অক্টোপাস, কুইট,পাতাল চিংড়ি, অ্যামিবা, ইলিশ লোটে, ভোলা, ঢেলা, তফসে, পমপ্লেট বিভিন্ন সামুদ্রিক কাংড়া,বিভিন্ন প্রজাতির চিংড়ি ও সামুদ্রিক মাছ ১২২ রকমের ভাজার ব্যবস্থা রয়েছে।
মানুষ যে সর্বভুক প্রাণী বকখালীর সমুদ্র সৈকতে গেলে তার প্রমাণ মেলে, কারন যেগুলোকে এতদিন সমুদ্রের বিভিন্ন পোকা বলে এড়িয়ে গেছে মানুষজন আর সেগুলোই ভাজা খেতে গেলে দুর্মূল্য দামে বিকোচ্ছে। আগামী দিনে এই বকখালির সমুদ্র সৈকতে বসে সমুদ্রের ঢেউ দেখতে দেখতে মাছ ভাজা খাবেন পর্যটকরা সেটাই এখন দেখার। পর্যটকদের মনোরম করতে আগামী দিনে আরো নতুন নতুন বিনোদনের জিনিস বকখালিতে তৈরি হবে।













