দক্ষিণ দিল্লির সত্য নিকেতনে বহুতল ভেঙে পড়ে অন্তত সাতজনের মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসেছে দিল্লি সরকার। রাজধানীজুড়ে সমস্ত বেআইনি ও বিপজ্জনক নির্মাণ চিহ্নিত করে তা ভেঙে ফেলার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অব দিল্লিকে (এমসিডি) অবিলম্বে এই নির্দেশ কার্যকর করতে বলা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশিকায় কেবল ভবন ভাঙার কথাই বলা হয়নি, শহরজুড়ে গজিয়ে ওঠা সব পেয়িং গেস্ট (পিজি) আবাসন ও হোস্টেলে চিরুনি তল্লাশি ও কঠোর পরিদর্শনেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমসিডি-র শীর্ষ আধিকারিকদের এসি ঘরের আমলাতন্ত্র ছেড়ে সরাসরি মাঠে নেমে কাজ করতে বলা হয়েছে, এবং অভিযান চলাকালীন সিনিয়র অফিসারদের উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সব পিজি হোস্টেলের নথি খতিয়ে দেখতে হবে এবং যেখানে অবৈধ বা নকশাবহির্ভূত নির্মাণ মিলবে, সেখানে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি পুরনো বিল্ডিং রেকর্ড পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে, ঠিক কার শাসনকালে এই অবৈধ নির্মাণ শুরু হয়েছিল এবং তৎকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কী ছিল, যাতে দায় নির্ধারণ করা যায়।
ভেঙে পড়া ভবনটি ত্যাগী ও সুধাংশু নামের দুই ব্যক্তিকে লিজ দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁরা সেখানে হোস্টেল ডেজ নামে একটি পিজি পরিচালনা করছিলেন।ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে ইতিমধ্যেই গাফিলতির অভিযোগে ব্যবস্থা নিয়েছে পুর প্রশাসন। সাউথ জোনের ডেপুটি কমিশনার রাকেশ কুমারসহ চারজন ইঞ্জিনিয়ারকে বিভাগীয় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সাসপেন্ড করা হয়েছে। এছাড়া জড়িত এক পরিবারের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।














