Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

এবার প্রার্থনাসভায় থাকতেই হবে, শিক্ষকদের কড়া নিয়মে বাঁধল পর্ষদ

এবার প্রার্থনাসভায় থাকতেই হবে, শিক্ষকদের কড়া নিয়মে বাঁধল পর্ষদ

রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে পঠনপাঠনের মান ফেরাতে এবার অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য জারি করা হয়েছে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা। পর্ষদের স্পষ্ট বার্তা, ক্লাসের মধ্যে কোনোভাবেই ব্যক্তিগত প্রয়োজনে স্মার্টফোন ব্যবহার করা যাবে না। পঠনপাঠন বিঘ্নিত হতে পারে, এমন কোনো কাজ স্কুল চলাকালীন করা নিষিদ্ধ। সোমবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি (অ্যাকাডেমিক) ঋতব্রত চট্টোপাধ্যায়ের স্বাক্ষর করা এই নির্দেশিকায় শিক্ষকদের নিয়মানুবর্তিতা ও উপস্থিতির ওপর কড়া নজরদারির কথা বলা হয়েছে।

 

শিক্ষকদের স্কুলে আসা এবং যাওয়ার ক্ষেত্রেও পর্ষদ নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রতিটি কর্মদিবসে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের মধ্যে প্রার্থনাসভায় উপস্থিত থাকতে হবে। যদি কোনো শিক্ষক নির্ধারিত এই সময়ের পরে স্কুলে পৌঁছান, তবে তা ‘লেট’ বা দেরি হিসেবে নথিবদ্ধ করা হবে। আরও কড়াকড়ি করা হয়েছে উপস্থিতির হারে। বেলা ১১টা ১৫ মিনিটের পরে স্কুলে পৌঁছলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে সেই দিনের জন্য সম্পূর্ণ ‘অনুপস্থিত’ হিসেবে গণ্য করা হবে। ছুটির ক্ষেত্রেও কোনো শিথিলতা রাখা হয়নি। জানানো হয়েছে, বিকেল সাড়ে চারটের আগে কোনো শিক্ষক স্কুল চত্বর থেকে বেরোতে পারবেন না। পেশাদারিত্ব রক্ষায় পর্ষদ জানিয়েছে, ব্যক্তিগত লাভের লোভে কোনো শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রাইভেট টিউশন করতে পারবেন না।

 

পাশাপাশি স্কুল চত্বরকে সম্পূর্ণভাবে তামাকমুক্ত রাখা এবং পড়ুয়াদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার দায়িত্ব নিতে হবে প্রধান শিক্ষককে। সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও প্রকল্পগুলি যাতে পড়ুয়াদের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছায়, তার জন্য শিক্ষকদের ‘নোডাল টিচার’ হিসেবে বাড়তি দায়িত্ব পালন করতে হবে। পর্ষদ স্পষ্ট করে দিয়েছে, স্কুলের শৃঙ্খলাভঙ্গ করলে বা নির্দেশিকা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি স্কুলের হারানো গরিমা ফেরাতে পর্ষদের এই নয়া ‘ফতোয়া’ নিয়ে এখন শিক্ষা মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে

READ MORE.....