Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

ধর্মীয় অত্যাচারে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসা মানুষ পেলেন ভারতীয় নাগরিকত্ব , প্রতিশ্রুতি রক্ষা শুভেন্দুর

ধর্মীয় অত্যাচারে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে আসা মানুষ পেলেন ভারতীয় নাগরিকত্ব , প্রতিশ্রুতি রক্ষা শুভেন্দুর

প্রতিশ্রুতি রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। ভোটের আগে বাংলার মানুষের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। গোটা দেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গেও ডিজিটাল সেনসাস প্রক্রিয়া শুরুর দিনেই নিউটাউনের কনভেনশন সেন্টারে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর আওতায় বৈধ আবেদনকারীদের হাতে নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তবর্তী এলাকার প্রায় ৩০০ জন আবেদনকারীর হাতে এদিন নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয় এই অনুষ্ঠানে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের হাতে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই শংসাপত্র তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রীর নাগরিকত্ব আইন যারা দ্বারা উপকৃত রাজ্যের মানুষ তাদের অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সরকার পরিবর্তনের পর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। সিএএ সার্টিফিকেট বিতরণ হয় অনলাইনে।

 

যারা বিরোধী দলের বিধায়ক তারাও এসেছেন আজ এই অনুষ্ঠানে। একুশ থেকে ছাব্বিশ আমাদের কোথাও ডাকা হতো না, আমি সকলকে ডাকছি।’ সরকার যখন বলে মানুষ বিরোধীদের কথা শোনে না আমাদের কথাও তখন কেউ শোনে না। এসআইআর শুরুর সময় ওনারাই ভিতরে ভিতরে বলেন আবেদনের জন্য। মিথ্যে কথা বলে এই অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে গত সরকার। আগের সরকার বিরোধী করেছে, চায়নি তাই ভারত সরকার দেয়নি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘২৩৯৫৬ জনকে এখনও পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে সার্টিফিকেট। ২ লাখ ৩০ হাজার ৯০৫ মোট আবেদনকারী। আমরা এই কয়েক মাসে দিয়েছি ৫৯৬৬ সার্টিফিকেট । সবচেয়ে বেশি সার্টিফিকেট বিতরণ হয়েছে পেয়েছে নদীয়া জেলা তারপর উত্তর ২৪ পরগনা । ওবিসি সার্টিফিকেট এর ক্ষেত্রেও বিবেচনা চলছে। বিগত সরকার সিএএ-র বিরোধিতা করেছে। তারা বলেছিলেন আপনারা তো নাগরিক রেশন পাচ্ছেন তাহলে আবার কিসের নাগরিকত্ব। কিন্তু আমরা বলেছি বারবার ভিসা করতে হলেই একাত্তরের আগের দলিল আনতে বলা হয়। তার মানে সিএএ-র প্রয়োজনীয়তা ছিল।’

 

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অনেককে বোঝানো হয়েছিল সিএএ মানেই এনআরসি এবং আবেদন করলে রেশন, ভাতা বা পেনশন বন্ধ হয়ে যাবে। এই আশঙ্কায় বহু মানুষ আবেদন করতে পিছিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ২০২৪ সালে বিধি জারি করার পর নাগরিকত্ব প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয় এবং এখন সেই প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে প্রতিবেশী দেশ থেকে ভারতে আসা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিধান রয়েছে এই আইনে। দেশভাগের পর ধর্মীয় কারণে যাঁরা ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, তাঁদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার দাবির দীর্ঘ ইতিহাসের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, ‘অনেকে অধৈর্য হয়ে যান ভোটার তালিকায় নাম উঠছে না। উনিশে কথা দিয়েছিলেন একটি সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি কথা রেখেছেন আইন করেছেন। আজ ধন্যবাদ জানাই তৃণমূল কংগ্রেসের মুসলিম এমএলএ এসেছেন। কারণ এই আইনে বলা হয়নি মুসলিমদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে। মুসলিমদের বোঝানো হয়েছিল এটা এনআরসি। এই আইনে লেখা ছিল যারা ধর্মীয় সংখ্যালঘু ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এসেছেন তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। ক্যা ক্যা ছিঃ ছিঃ বলা হয়েছিল অশান্তি হয়েছিল। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মিছিল করেছিলেন সিএএ-র বিরুদ্ধে । আর এখন ওনার দলের লোকেরা এটাকে সমর্থন করে এসেছেন।’

READ MORE.....