Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বেহালায় প্রত্যাবর্তন পার্থের, নজর এখন ভোটের টিকিটেই

বেহালায় প্রত্যাবর্তন পার্থের, নজর এখন ভোটের টিকিটেই

দীর্ঘ ১২৪৫ দিন পর ফের ঘরের মাঠে পা রাখলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জেল থেকে ফেরার পর এই প্রথমবার পা রাখলেন নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বেহালা পশ্চিমে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া থেকে জেলমুক্তি, দীর্ঘ সময়ের এই ব্যবধানে তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। শনিবার দুপুরে সেই জল্পনার আগুনে ঘি ঢেলে পাঁচবারের বিধায়ক স্পষ্ট করে দিলেন, ফের ভোটে দাঁড়ানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ তৃণমূল নেতৃত্বের কোর্টে। এদিন বেলা পৌনে একটা নাগাদ নাকতলার বাড়ি থেকে ম্যান্টনে নিজের বিধায়ক কার্যালয়ে পৌঁছন পার্থ। পুরনো চেনা এলাকায় তাঁকে ঘিরে ভিড় করেন অনুগামীরা।

 

সেখানে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে তিনি সরাসরি জানান, ‘আমি ভোটে দাঁড়াব কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে দল। তার পর আমার মত, তবে এটুকু বলতে পারি আমি দলের সঙ্গেই আছি।’ তৃণমূল থেকে এখনও তিনি সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত, মন্ত্রিসভাতেও ঠাঁই নেই। তবুও বেহালার মাটিতে দাঁড়িয়ে দলের প্রতি আনুগত্য প্রকাশে কোনও কার্পণ্য করেননি তিনি। ২০২২ সালের জুলাই মাসে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী।

 

তারপর থেকে বিধানসভার অলিন্দে বা নিজের কেন্দ্রে দেখা যায়নি তাঁকে। নভেম্বরে জামিনে মুক্তি পেলেও শারীরিক অসুস্থতায় ঘরবন্দি ছিলেন। ভাষা দিবসের আবহে এদিন নিজের ভোটারদের ধন্যবাদ জানাতে এসে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন পার্থ। তিনি বলেন, ‘বেহালা পশ্চিমের মানুষের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তাঁরা পাঁচ বার যে ভাবে আমাকে জিতিয়ে বিধানসভার সদস্য করেছিলেন, সেই কৃতজ্ঞতা আমি সব সময় বজায় রাখব। আমি এখানে বলতে এসেছি আমি তোমাদেরই লোক।’

 

তবে তাঁর প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজনৈতিক সমীকরণ মোটেও সহজ নয়। তিনি যখন অনুগামীদের সঙ্গে কথা বলছেন বা তাঁদের অনুরোধে গাড়িতে বসে চা পান করছেন, তখন সেখানে দেখা মেলেনি এলাকার ১০ জন তৃণমূল কাউন্সিলরের এক জনকেও। এমনকি রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, নিয়োগ দুর্নীতির কালি গায়ে থাকা পার্থকে এবার আর টিকিট না-ও দিতে পারে দল। ২০০১ সালে বহুজাতিক সংস্থার চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে আসা পার্থর দীর্ঘ যাত্রাপথে এটিই এখন বড় প্রশ্নচিহ্ন। এদিন কিছু সময় এলাকা পরিদর্শন করে ফের নাকতলায় ফিরে যান তিনি। ফাইল ফটো।

READ MORE.....