কলকাতায় বিধায়কদের প্রশিক্ষণ শিবির সেরেই মন্ত্রি শুভেন্দু অধিকারী শুক্রবার দুপুরে পৌঁছে যান উত্তরবঙ্গে। শুক্রবার উত্তরবঙ্গে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদরা। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘পুরসভা, কর্পোরেশন, পঞ্চায়েত, জিটিএতে যারা চুরি-চামারি করেছেন তাঁরা থানায় আত্মসর্মপণ করুন। দপ্তরে যেতে না পারলে পদত্যাগ করুন। পালিয়ে যাবেন না’। বৈঠকে উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন, চলতি প্রকল্পগুলির দ্রুত বাস্তবায়ণ, অতিরিক্ত বৃষ্টিতে বন্যার কথা মাথায় রেখে সিভিল ডিফেন্স-সহ অন্যান বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী তৈরি করা নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘কোচবিহারে বন্যা হয়।
বাংলাদেশ থেকে আসা জলে প্লাবিত হয় হিলি। শিলিগুড়িতে জল জমে, ভাসে মেখলিগঞ্জ। আমরা সিভিল ডিফেন্সের প্রশিক্ষিত কর্মীদের কাজ দেওয়া হবে। অতিরিক্ত ৪০০ পুলিশ রাখা হচ্ছে। তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ দল। বিপর্যয় ঘটলে তাঁরা এনডিআরএফ, এনডিআরএফদের সাহায্য করবে’। তিনি আরও বলেন, ‘উত্তরকন্যা যে রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ সচিবালয়, তা আগের সরকার কার্যত ভুলে গিয়েছিল। সেখানে নিয়মিত মন্ত্রী বা আধিকারিকদের উপস্থিতি থাকত না। উত্তরবঙ্গের মানুষ যাতে সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের আরও একটি শাখা মালদায় তৈরি করা হবে। এর ফলে মালদা এবং দুই দিনাজপুরের মানুষ আরও সহজে সরকারি পরিষেবা পাবেন।’














