‘কোটি-কোটি টাকা নিয়ে বহু লোক বিজেপিতে ঢোকার জন্য রেডি হয়ে আছে। টাকা তো সবারই ভালো লাগে, কিন্তু পার্টি এদের ঢুকতে দেয়নি। আমরা জানি কে কার সঙ্গে কেন ঘুরছে। পার্টি সতর্ক আছে এবং এদের কোনওভাবেই এন্ট্রি দেওয়া হবে না।’ ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে বহু তৃণমূল নেতা টাকা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন দিয়েছে বলে বিষ্ফোরক দাবি করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। এমনকী দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও অসাধু কর্মীদের বিষয়ে দিলীপ ঘোষের স্পষ্ট বার্তা, ‘দলীয় শৃঙ্খলা দেখার জন্য আমাদের নিজস্ব শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি আছে।
কোনো অসাধু কাজের খবর পেলে সাধারণ মানুষও পার্টির কাছে অভিযোগ জানাতে পারেন। দল ইতিপূর্বে প্রায় আড়াইশো জনকে সাসপেন্ড করেছে এবং এই ছাঁটাই প্রক্রিয়া চলবে। আমরা এক অদ্ভুত পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেলেও সর্বস্তরে নিয়মিত বৈঠক ও প্রশিক্ষণ চলছে। সব দলেই কিছু খারাপ লোক থাকে, তবে তা দিয়ে বিজেপিকে বিচার করা যায় না।’ মালদায় কোটি কোটি টাকা উদ্ধার প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, ‘এমন বহু ব্যবসায়ী আছে যাদের কাছে শাসকদলের নেতারা টাকা গচ্ছিত রেখেছে। সেই নেতাদের এবার খুঁজে বের করতে হবে। পুলিস ও সাধারণ মানুষ সবই জানে। পঞ্চায়েতসহ বিভিন্ন বিভাগে আসা কেন্দ্রের হাজার হাজার কোটি টাকা লুঠ হয়েছে। তদন্ত এবার অনেক দূর পর্যন্ত যাবে।’ প্রতীক হাতছাড়া হলে তৃণমূল নেত্রীর ‘প্ল্যান বি’ তৈরি রাখা সংক্রান্ত মন্তব্যকে তীব্র কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘পদ্মফুল রেডি রাখেননি তো?
জোড়াফুল বা গোটা ফুল দিয়ে কী হবে? দলে লোক কোথায়? বিধায়ক, সাংসদ, ফান্ড কিংবা পার্টি অফিস- কোথায় কী আছে? উনি আসলে নিজের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই লড়ছেন এবং দিশেহারা হয়ে নানা রকম স্টেটমেন্ট দিচ্ছেন।’ অন্যদিকে, কবি জয় গোস্বামীর সাম্প্রতিক বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলীপ বলেন, ‘তখন মুখ খোলেননি কেন? আর জি কর কাণ্ডের সময় চুপ ছিলেন কেন? আপনি তো ওদের সঙ্গেই ছিলেন। এখন সাধারণ মানুষ সোচ্চার হচ্ছে দেখে আপনিও বলছেন।’ তসলিমা নাসরিনের মাদ্রাসা বন্ধের দাবি প্রসঙ্গে সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, ‘উনি এখন এই পরিস্থিতির বাস্তবতা বুঝতে পেরেছেন এবং বঙ্গবাসীর সঙ্গে একমত হয়েছেন।’














