Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

হুশিয়ারি অভিষেকের : ‘চার তারিখের পর বাজারে মাছ কাটাবো, বিক্রি করবো’

হুশিয়ারি অভিষেকের : ‘চার তারিখের পর বাজারে মাছ কাটাবো, বিক্রি করবো’

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মগরাহাট পূর্ব ও পশ্চিম বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থীর সমর্থনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উস্থি হাই স্কুল মাঠে সভা করেন। এই নির্বাচনী সভা থেকে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনে আগামী পাঁচ বছর মানুষকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে পরিষেবা দেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের আসল লক্ষ্য।’ তিনি জানান, ‘আমাদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিদ্রুপ করেছে বিজেপি। মাছ খাই বলে বাংলাদেশি বলা হয়েছে। বাংলা ভাষায় কথা বলায় আমাদের জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। ভিন রাজ্যে একাধিক ঘটনা আপনারা দেখেছেন, আমার বিশ্বাস বাঙালি এর জবাব দেবে। এই দল আবার মানুষের কাছে ভোট চাইতে যায়।’

 

বিজেপিকে নিশানা করে তিনি আরও বলেন, ‘চার তারিখের পরে মাছের বাজারে নিয়ে গিয়ে মাছ কাটাবো। দোকানে বসিয়ে মাছও বিক্রি করাবো। প্রথম দফায় ভোট হয়েছে গত তিন দিন, তৃণমূল সেঞ্চুরি পার করে দিয়েছে। ২৯ তারিখ ডবল সেঞ্চুরি পার হবে, আর সংখ্যা কোথায় গিয়ে থামবে আমি নিজেও জানি না। এই নির্বাচন বিজেপিকে হারানোর নয়, তৃণমূলকে জেতানোর নয়, নিজের অস্তিত্ব রক্ষার ভোট।’

 

মগরাহাট পশ্চিমে এখানে এমন একজনকে প্রার্থী করা হয়েছে যে সর্বক্ষণ সকলের পাশে আছে। দিন নেই রাত নেই পৌঁছে যাচ্ছে সকলের বাড়িতে। ‘আমাদের যাঁরা বাংলাদেশি বলে, আমাদের যাঁরা রোহিঙ্গা বলে, আমার চ্যালেঞ্জ!’ বাংলার মনীষীদের অপমান এবং খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বিজেপির মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘যারা আগে মাছ খাওয়া নিয়ে বাঙালিদের ‘মোগল’ বলেছিল, তারাই এখন মাছ নিয়ে প্রচার করছে।’

 

তাঁর প্রশ্ন, ‘স্বাধীনতার ৭৯ বছর পর কেন মানুষকে নাগরিকত্বের প্রমাণ দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়াতে হবে? অমিত শাহকে যে সিআরপিএফ পাহারা দেয়, কোন ডিলের কারণে সেই সিআরপিএফ নওশাদ সিদ্দিকীকে পাহারা দেয়? জবাব আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাহারা দেয় রাজ্যের পুলিশ, আর হুমায়ুন কবীর আর নওশাদ সিদ্দিকীকে পাহারা দেয় অমিত শাহের পুলিশ, কেন? ডিলটা কী? সংখ্যালঘু ভাইয়েদের উপর বিজেপি যে অত্যাচার করেছে, মনুষ্যত্ব আর বিবেকবোধ যদি থাকে ওই সিআরপিএফের নিরাপত্তা ছেড়ে দাও। দরকার হলে রাজ্য সরকার আগামী দিন তোমাকে সুরক্ষা দেবে। চ্যালেঞ্জ আমার। ডিলটা কী?’

 

আইএসএফ এবং বামদের জোট হওয়ার পরেও নন্দীগ্রামে আইএসএফ ও সিপিআই দুই দলই কেন প্রার্থী দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর প্রশ্ন, ‘কাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য? কার হাত শক্ত করার জন্য? কার থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে? যদি জোট হয়ে থাকে, কেন সেখানে দুই দলই প্রার্থী দেবে? তার মানে কী সংখ্যালঘু ভোট ভাগ করো আর বিজেপিকে জিততে সাহায্য করো। বিজেপির বি টিম। যে ভুল ২০২১ সালে ভাঙড়ের মানুষ করেছিল, তার পুনরাবৃত্তি করবে না।’ দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিরোধী শূন্য করার ডাক দিয়ে অভিষেক বলেন, ‘এবার ৩১-০ তৃণমূলের পক্ষে হতে হবে।’ এবং এবার ভাঙড়ে তৃণমূল কংগ্রেস বিপুল ব্যবধানে জিতবে বলে জানান।

READ MORE.....