মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল রাজধানীতে। আইসার আহ্বানে বিজেপি-বিরোধী একাধিক দল ও সংগঠনের কর্মসূচিতে পুলিশ মোতায়েন ছিল। বিক্ষোভকারীদের আটকাতে ব্যারিকেড করা হয়।
পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির মধ্যেই কয়েক জন মহিলা সাংবাদিককে হেনস্থার অভিযোগ ওঠে পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার সকাল থেকে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার সামনে বিক্ষোভ শুরু করে ককরোচ জনতা পার্টি। কর্মসূচিতে যোগ দেন বাম নেত্রী বৃন্দা কারাত, ঐশী ঘোষ-সহ অনেকে।
ককরোচ জনতা পার্টির সৌরভ দাসের দাবি, তিন মহিলা সাংবাদিককে হেনস্থা করা হলেও পুলিশ তাঁদের অভিযোগ নিতে চাইছে না। অভিযোগ গ্রহণ না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। যদিও দিল্লি পুলিশের দাবি, তিন মহিলা সাংবাদিকের অভিযোগ নিউ দিল্লি জেলা পুলিশ পেয়েছে। পরে তদন্তের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে অভিযোগগুলি ক্রাইম ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগকারীদের এক জনের দাবি, শনিবার এআইএসএ-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরাকে পুলিশ আটক করার সময় তিনি ঘটনাটি ক্যামেরাবন্দি করছিলেন। তখন এক এএসিপি পদমর্যাদার আধিকারিক তাঁকে বুকে হাত দিয়ে ধাক্কা দেন। ঘটনার প্রতিবাদ করলে ওই আধিকারিক সেখান থেকে চলে যান বলেও দাবি তাঁর।
পরে দীর্ঘ সময় থানায় থেকেও এফআইআর দায়ের করা হয়নি বলে অভিযোগ।বৃন্দা কারাতের অভিযোগ, সাংবাদিককে হেনস্থার ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত আধিকারিকদের আড়াল করার চেষ্টা করছে।এদিকে, জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় আপের বিক্ষোভও অব্যাহত। দিল্লির আপ প্রধান সৌরভ ভরদ্বাজকে পুলিশ আটক করে। অন্য দিকে, মুম্বইয়ে জাতীয় পতাকা হাতে পথে নেমেছেন উদ্ধব ও রাজ ঠাকরে। সেখানেও বিপুল পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।














