ডিজিটাল ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা (ডিপিডিপি) আইন সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও তথ্য জানার অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রের জবাব তলব করল শীর্ষ আদালত। মঙ্গলবার ডিজিটাল নিউজ পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডিএনপিএ) দায়ের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহন সমন্বিত তিন বিচারপতির বেঞ্চ কেন্দ্রকে নোটিস জারি করেছে।
সংবাদ সংস্থাগুলির পক্ষে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ চাওয়ার প্রেক্ষিতে আদালত স্পষ্ট জানায়, “অপর পক্ষের (কেন্দ্রের) বক্তব্য না শুনে আমরা কোনো একতরফা নির্দেশ জারি করব না। আপনারা কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করবেন, তাও আমাদের জানাতে হবে।” প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে আগামী ১৭ নভেম্বর।
২১টি শীর্ষ সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা ডিএনপিএ-র অভিযোগ, এই আইনে সাংবাদিকতার পেশাকে কোনো নির্দিষ্ট ছাড় দেওয়া হয়নি। ফলে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং তথ্যের সূত্রের গোপনীয়তা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়বে। আবেদনকারীদের পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী মাধবী দিওয়ান সওয়াল করেন, “যদি কোনো ব্যক্তির সম্মতি দেবে কি দেবে না তার দয়ার ওপর আমাকে নির্ভর করতে হয়, তবে খবর পরিবেশন কীভাবে সম্ভব?” তিনি আরও উল্লেখ করেন, “এই আইনি সংশোধনী খবরের মূল ধারণাকেই বদলে দিচ্ছে।” বিশেষত তথ্য জানার অধিকার (আরটিআই) আইনের ৮(১)(জে) ধারার সংশোধন এবং সরকারি পদাধিকারীদের তথ্য গোপন রাখার ছাড়পত্র দেওয়ার ফলে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ধাক্কা খাচ্ছে বলে আবেদনে অভিযোগ তোলা হয়েছে।














