‘রাজনীতিতে আবেগের কোনও জায়গা নেই। কংগ্রেস থেকে আসতে পারলে তৃণমূল থেকেও আসতে পারেন।’ কলকাতা এবং হাওড়ায় আসন্ন পুর নির্বাচনের আগে তৃণমূলের নেতা-নেত্রীরা বিজেপিতে যোগ দিয়ে টিকিট পেতে পারেন বলে যখন জল্পনা তুঙ্গে সেই সময় এমন মন্তব্য করে নতুন সম্ভাবনা জাগিয়ে তুললেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। সামনেই পুরভোট। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, তৃণমূলের একাধিক প্রাক্তন কাউন্সিলর যোগ দিতে পারেন বিজেপিতে। সম্ভবত টিকিটও পাবেন তাঁরা। এদিকে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, ‘নো এন্ট্রি’। এদিকে তাঁর সুরে সুর মিলিয়েছেন বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও।
তবে শুভেন্দু ঘনিষ্ঠদের কথায়, ‘পুরসভা পরিচালনার জন্য অভিজ্ঞতা থাকা দরকার। সে কারণে পুরসভার কাজ সম্পর্কে গভীর ধারণা রয়েছে, এরকম লোকজনকে দলে নিয়ে প্রার্থী করা যেতেই পারে।’ এই মন্তব্যেই স্পষ্ট যে তাঁরা তৃণমূলত্যাগীদের নেওয়ার পক্ষেই। মঙ্গলবার এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ বলেন, ‘রাজনীতিতে আবেগের কোনও জায়গা নেই। কংগ্রেস থেকে আসতে পারলে তৃণমূল থেকেও আসতে পারেন।’ তবে হ্যাঁ, আদৌ তাঁরা বিজেপির মতো দলে মানিয়ে নিতে পারবেন কি না, সেটা দেখার বিষয় তা মনে করিয়ে দিয়েছেন দিলীপ। তিনি বলেন, ‘যাঁরা আসছেন দেখতে হবে তাঁরা বিজেপির কার্যপদ্ধতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারবেন কি না। এসব ঠিক করার বিষয় পার্টির।’ এতেই স্পষ্ট শমীক ও সুকান্তর সঙ্গে দিলীপের মত পার্থক্য।
অন্যদিকে, গাইঘাটার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। আইনের ঊর্ধ্বে যে কেউ নয়, আইন অমান্য করলে কী হতে পারে, তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিকদের দিলীপ ঘোষ জানান, আইনের উপরে কেউ নয়। কেউ আইনকে অমান্য করলে এই রকমই হবে। দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘মানুষকে ন্যায় পাইয়ে দিতে হবে। মানুষ পুলিশের উপর আস্থা রাখতে ভুলে গেছে। ভরসা ফেরাতে গেলে পুলিশকে কিছু অপ্রিয় কাজ করতে হবে।’ তবে এহেন ঘটনার পর ধর্ষণ কি কমবে? এহেন প্রশ্নে মন্ত্রীর মন্তব্য, ‘বাংলায় বহু বছর আইনের শাসন নেই। আইনের প্রতিষ্ঠা হলে সবাই ভয় পাবে।’














