প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১৩ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ার পর অবিশ্বাস্য রূপকথার প্রত্যাবর্তন লিখেছিল ভারত ‘এ’ দল। কিন্তু জয় যখন মাত্র এক উইকেট দূরে, ঠিক তখনই ভিলেন হয়ে দাঁড়াল লিঙ্কনের নিভে আসা আলো। মঙ্গলবার নিউ জ়িল্যান্ড ‘এ’ দলের বিরুদ্ধে চার দিনের বেসরকারি টেস্টের শেষ বিকেলে নাটকীয় লড়াই ড্রয়েই শেষ হল। কার্টিস হিফির অপরাজিত ৯০ রানের চোয়ালচাপা প্রতিরোধ এবং শেষ লগ্নে খারাপ আলোর কারণে অসম্পূর্ণ থেকে গেল ধ্রুব জুরেলের দলের স্মরণীয় জয়।
প্রথম ইনিংসে ২০৪ রানে পিছিয়ে থাকার পর দ্বিতীয় ইনিংসে শুরুতেই লোকেশ রাহুল ও যশস্বী জয়সওয়াল ফিরে গেলে চরম বিপদে পড়েছিল ভারত। সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়ানোর রূপরেখা তৈরি করেন দেবদত্ত পাড়িক্কাল ও সাই সুদর্শন। দু’জনে মিলে যোগ করেন ২১৫ রান। চোট সারিয়ে ফিরে সুদর্শন করেন ৯১ রান, আর ১৯৯ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে বিতর্কিত আম্পায়ারিংয়ের শিকার হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন পাড়িক্কাল। এর পর যশ রাঠোড় ও ওয়াশিংটন সুন্দরের অর্ধশতরানে ভর করে ভারত ‘এ’ দ্বিতীয় ইনিংসে পাহাড়প্রমাণ ৫১৬ রান তোলে।
জয়ের জন্য ৩১৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ভারতীয় পেসারদের তোপের মুখে পড়ে কিউয়িরা। আকিব নবির নিখুঁত লাইন-লেংথ, আকাশ দীপের সুইং এবং অংশুল কম্বোজের বাউন্সে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে আয়োজকরা। এমনকি আলোর স্বল্পতার জন্য আম্পায়াররা পেস বোলিং বন্ধের নির্দেশ দিলে পেসার মুকেশ চৌধুরীকে দিয়ে স্পিন করিয়েও উইকেট তোলার মরিয়া চেষ্টা চালান অধিনায়ক জুরেল। নবম উইকেটে সাইমন কিনকে আকাশ দীপ বোল্ড করার পর শেষ উইকেটে ভারতের জয় নিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছিল। কিন্তু ১৮৭ বল খেলে একা কুম্ভ হয়ে থাকা ওপেনার হিফিকে টলাতে পারেননি বোলাররা। শেষ পর্যন্ত সতেরো ওভার বাকি থাকতেই তীব্র ঠান্ডা বাতাস ও আলোর অভাবের কারণে ম্যাচ বন্ধ ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।














