Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বাংলায় দাঁড়িয়ে গেরুয়ার অসম্মান মোটেও বরদাস্ত নয়, শুভেন্দু

বাংলায় দাঁড়িয়ে গেরুয়ার অসম্মান মোটেও বরদাস্ত নয়, শুভেন্দু

বাংলায় দাঁড়িয়ে গেরুয়ার অসম্মান মোটেও বরদাস্ত নয়। ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’র মতো দেশবিরোধী স্লোগানও চলবে না। যে বা যারা গেরুয়াকে অপমান করবে তাদের শিকড়-সহ উপড়ে ফেলা হবে বলেই চরম হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি শপথ নিয়েছি এই যাদবপুরে যেখানে সেন্টার অফ এক্সিলেন্স, যেখানে ঋষি অরবিন্দের ভূমি, এখানে কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি গ্যাংকে আর কিষাণজিকে রেড স্যালুট দেওয়া লোকেদের আর যারা গেরুয়া তাণ্ডব লিখেছেন তাদের শিকড়-সহ উপড়ে  ফেলব আমি।”

 

বাম ও তৃণমূল সরকারকে পর্যুদস্ত করার উদাহরণ টেনে শুভেন্দু আরও বলেন, “আপনারা জানেন ২০১১-তে পণ করেছিলাম কমিউনিস্টকে সরাব। আমি পণ করেছিলাম মোদিজির নেতৃত্বে ছাব্বিশে জামাতি সরকারকে সরাব। আপনাদের সাহায্যে সেটা হয়েছে।” মুখ্যমন্ত্রীর শপথ, “আপনারা সঙ্গে থাকুন স্বামী বিবেকানন্দের মাটি, শ্রীচৈতন্য ও প্রণবানন্দের ভূমিতে গেরুয়াই হবে, গেরুয়াই হবে, গেরুয়াই হবে।”

 

গোলপার্ক থেকে এইট বি বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনিতে গোটা যাদবপুর যেন গেরুয়াময়। গেরুয়া ধ্বজা হাতে পথে হাঁটেন সাধু-সন্তরা। মিছিলে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গিয়েছে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী তাপস রায়কে। উপস্থিত ছিলেন যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ও। শুভেন্দু অধিকারীর ঠিক পাশেই মিছিলে হাঁটেন পদ্মশ্রী কার্তিক মহারাজ। গেরুয়া মিছিল যাদবপুর পৌঁছতেই ‘বন্দে মাতরম’ গানে অংশ নেন সকলে। এরপরেই যাদবপুরের মঞ্চ থেকে ‘দেশবিরোধী’দের উদ্দেশে কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

READ MORE.....