Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বিজেপি জিতলে বড়জোড়ার টাকা যাবে গুজরাটে, দাবি অভিষেকের

বিজেপি জিতলে বড়জোড়ার টাকা যাবে গুজরাটে, দাবি অভিষেকের

বিজেপি জিতলে বড়জোড়ার টাকা যাবে গুজরাটে। তৃণমূল জিতলে বাঁকুড়ার টাকা বাঁকুড়ায়, বড়জোড়ার টাকা বড়জোড়ায়, গঙ্গাজলঘাঁটির টাকা গঙ্গাজলঘাঁটিতে ব্যবহৃত হবে’। বাঁকুড়ার বড়জোড়ার নির্বাচনী জনসভা থেকে এমন চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাঁকুড়ার বড়জোড়ার গঙ্গাজলঘাঁটি ফুটবল ময়দানে জনসভা করলেন অভিষেক। বড়জোড়ার তৃণমূল প্রার্থী গৌতম মিশ্রর (শ্যাম) সমর্থনে সভা করলেন তিনি। বড়জোড়ার সভা থেকে স্থানীয় ইস্যুতে মুখ খুললেন তিনি। তুলে ধরলেন তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের খতিয়ানও।

 

কত ভোটে জেতাতে হবে তৃণমূল প্রার্থীকে? সেই লক্ষ্যও বেঁধে দিয়েছেন তিনি। তাঁর আশ্বাস এই এলাকা থেকে তৃণমূল জিতলে সেই বিধায়ক গঙ্গাজলঘাঁটি, বেলিয়াতোড়, বড়জোড়া ছুটে বেড়াবেন। বড়জোড়া থেকে ৩০ হাজার ভোটে জিতলে চৌমাথার মোড়ের যানজটের সমস্যা মেটানো হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অভিষেক। এ দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘শ্যাম মিশ্র কে জেতালে বড়জোড়ার সার্বিক উন্নয়নের দায়িত্ব আমার’। সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে মঞ্চে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করে অভিষেক বলেন, ‘এই ভালোবাসার ঋণ সুদে আসলে আগামী দিনে শোধ করা হবে’। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যারা যুবসাথীতে ফর্ম ফিলআপ করেছিলেন, এখনও টাকা পাননি, তার কারণ ১৬ তারিখ ভোট ঘোষণা হয়ে গেছিল।

 

৪ মে ফল বেরোবে, তারপর সবাই যুবসাথীতে…যদি দু-চারজন-দশজন বাকি থাকেন, সবাই টাকা পাবেন। কেউ বঞ্চিত হবেন না। আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি…মায়েরা, কোনও ফাঁদে পা দেবেন না। যতদিন তৃণমূল আছে, আজীবন আপনারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবেন। আমাদের প্রতিজ্ঞা। যতদিন তৃণমূল এই বাংলায় থাকবে, ততদিন মায়েরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবেন’। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরেন তিনি।

 

অভিষেক বলেন, ‘এখানে গত দুই বছরে, শুধু ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে…গত দু’বছরে…আমি ১২ বা ১৫ বছরের পরিসংখ্যান দিচ্ছি না। প্রায় ১২ হাজার গরিব মানুষ মা-মাটি-মানুষ সরকারের বাড়ি পেয়েছেন। যার মধ্যে ১০ পয়সা নরেন্দ্র মোদির অবদান নেই। ২০২১-এর নির্বাচনে ঘোষণা হওয়ার পর …গত ৫ বছরে খালি ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের…যে ১৮ টা ওয়ার্ড আছে ঝাড়গ্রাম টাউনে, এদিকে ঝাড়গ্রাম গ্রামীণের চারটি জিপি, বিনপুর ১-এর ১০টা জিপি সব মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার মায়ের প্রতি মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন।

 

আমার চ্যালেঞ্জ বিজেপিকে, ১৬টা রাজ্যে নরেন্দ্র মোদির সরকার ক্ষমতায়, নরেন্দ্র মোদির দল ক্ষমতায়…একটা রাজ্যে বিজেপি করে দেখাতে পারলে…বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়েছেন…সেরকম করে দেখাতে পারলে আমি রাজনীতি করব না। রাজনীতি ছেড়ে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে গেলাম। বলেছিল, ১৫ লক্ষ টাকা দেব। কেউ পেয়েছেন? কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুবসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেয়েছেন? উত্তর হচ্ছে, ‘হ্যাঁ’। ২ কোটি চাকরি দেব বলেছিল। পেয়েছেন ? উত্তর, ‘না’। কৃষক বন্ধু, স্বাস্থ্যসাথী পেয়েছেন ? উত্তর, ‘হ্যাঁ’।

READ MORE.....