‘১৭ সেপ্টেম্বর মোদিজির জন্মদিন। ওইদিন গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আমরা অন্নপূর্ণা দিবস পালন করব। সব জেলায় জেলায় অন্নপূর্ণা প্রাপকরা জড়ো হবেন, আর আমি কলকাতাতেই এক লক্ষ অন্নপূর্ণাকে নিয়ে সেদিন সভা করব এবং মোদিজির জন্মদিন পালন করব।’ রাজ্যজুড়ে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা না পাওয়াকে কেন্দ্র করে ও মহিলাদের বিক্ষোভ দেখানোর আবহে শনিবার কলকাতার বুকে দাঁড়িয়ে এমন ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। উত্তরবঙ্গ সফর সেরে কলকাতায় ফিরে শনিবার নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মহিলা উপভোক্তাদের আয়োজিত অন্নপূর্ণা প্রকল্পের ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ভবানীপুরে মোট সতের হাজার মহিলার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে তিন হাজার টাকা। পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করুন যদি যোগ্য হয়েও না পেয়ে থাকেন। ভরসা বিশ্বাস রাখবেন ভাই শুভেন্দু অধিকারীর উপর। রীতিমতো পরিসংখ্যান পেশ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের মহিলারা আজ আমাকে এই অনুষ্ঠানে আসার সুযোগ করে দিয়েছেন।
১৪ হাজার ৫০০ এর বেশি মহিলা এই বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত যারা অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় এসেছেন। এখনও আড়াই হাজার মহিলা যোগ্য প্রমাণিত হয়েছে এই অন্নপূর্ণা যোজনার আওতায় আসার জন্য। আজ সাড়ে ১৪ হাজার, আমি বলতে বলতেই হয়তো ঢুকে গেছে, মোট ১৭ হাজার মা অন্নপূর্ণা…আপনাদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার করে টাকা ঢুকল ভবানীপুর বিধানসভায়। এরপরেও যদি আরও যোগ্য কেউ বাকি থাকেন, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন করা লোকেরা…পোর্টালে গিয়ে আবেদন করুন। অনেকে পোর্টাল ব্যবহার করতে জানেন না। বিধায়কের কর্মীরা গিয়ে…মণ্ডলের ভাইরা গিয়ে…ওয়ার্ডের কর্মীরা গিয়ে, মহিলা মোর্চা গিয়ে পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করে দেবেন। একজনও যোগ্য বাকি থাকবে না। আপনারা ভরসা-বিশ্বাস ভাই শুভেন্দু অধিকারীর ওপর রাখবেন।’ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে জিতে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
তবে শুধুমাত্র অন্নপূর্ণা যোজনায় প্রতিমাসে দেওয়া টাকার পরিমাণ বাড়ানোর জন্য নয়, বিভিন্ন সামাজিক এবং রাজনৈতিক কারণেও মমতার সরকারকে সরিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বাংলার মানুষ বিজেপির সরকার এনেছে বলে দাবি করে আজ শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘শুধু ভাতা নয় বাংলার সর্ব স্তরের ব্যাপক উন্নতির জন্য মানুষ ক্ষমতায় এনেছে বিজেপিকে। যারা ভোটে হেরে গেছেন বা মনে প্রাণে কখনও বিজেপিকে চায় না , যারা মোদী জির নেতৃত্বে বাংলার সংস্কৃতি যা হারিয়ে গেছিল তারা চায় না আমরা এখানে কাজ করি। এতটুকু বিচলিত হবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এতটুকু ভালো করেনি গত পনের বছরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে গিয়ে আসামিকে কালীঘাট থেকে ছড়িয়ে নিয়ে গেছে। ছাব্বিশ হাজার চাকরি গেছে। আর জি কর থেকে কসবা ল কলেজ মহিলাদের অত্যাচার হয়েছে। টাটাকে তাড়িয়েছে গত পনের বছরে।’














