ভোটের আগেই দু’দিনের বঙ্গ সফরে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। আর এরই মধ্যে পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বিজেপির বেশ কয়েকজন কর্মী ও মন্ডল সভাপতি কে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। অভিযোগের তীর শাসকদল তৃণমূলের দিকে।
মঙ্গলবার পাণ্ডবেশ্বরে বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে, এরপর মঙ্গলবার রাত্রে রানীগঞ্জ বিধানসভার অন্ডালের সিদুলি এলাকায় এক বিজেপি মন্ডল সভাপতি কে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখানেও অভিযোগের তীর সেই শাসকদলের দিকে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন বিজেপির জেলা নেতা অরিজিৎ রায়।
তিনি বলেন, বুধবার রানীগঞ্জ শহরে তাদের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনের একটা সভা রয়েছে, আর সে কারণেই তাদের দলের কর্মী-সমর্থকরা তাদের এলাকায় প্রচার-প্রসার চালাচ্ছেন। আর সেটা বন্ধ করতেই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ভীত সন্ত্রস্ত করতে নীতিন নবীনের সভা কে বানচাল করতে তৃণমূলের এক শ্রেণীর দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন শীঘ্রই এই ধরনের দুষ্কৃতীরা গ্রেপ্তার না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন তারা।
যদিও রাত্রের ঘটনার তলে উখরা ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও এই ব্যাপারে শাসক দলের তরফে জেলা যুব সভাপতি পার্থ দেওয়াসি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রাতের অন্ধকারে কি ঘটনা ঘটেছে তার জানা নেই। তবে এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন এমনিতেই বিজেপির শেষ অবস্থা, নিশ্চয়ই বিজেপির দলের মধ্যে কোন দলীয় কোন্দলের কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে!













