হাতে গোনা দিন বাকি দুর্গাপূজার। তাই ময়নাগুড়ির কুমোরটুলিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মৃৎশিল্পীরা। সকাল-রাত এক করে প্রতিমা গড়ার কাজ চলছে। কারও মূর্তি রংয়ের পর্যায়ে, আবার কোথাও নতুন করে মাটির গড়ন চলছে।
স্থানীয় শতাধিক মৃৎশিল্পী জীবিকা নির্বাহ করেন এই কাজের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম আকাশছোঁয়া হলেও প্রতিমার দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি। ফলে আর্থিক সংকটে পড়তে হচ্ছে শিল্পীদের।
তাঁরা জানান, বর্তমানে পুজোর সংখ্যা বাড়ছে না, অথচ শিল্পীর সংখ্যা বাড়ছে। ফলে প্রতিমা বিক্রি করতে হচ্ছে মালবাজার, কুচবিহার, চ্যাংড়াবান্ধা সহ বাইরের জেলায়।
মৃৎশিল্পীদের একটাই দাবি—সরকারিভাবে যদি ময়নাগুড়িতে কুমারটুলি তৈরি হয়, তাহলে তাঁদের ব্যবসায় অনেক সুবিধা হবে। শিলিগুড়ি বা অন্যত্র যেমন সরকারি সুবিধা রয়েছে, ময়নাগুড়িতেও তেমন সুযোগ দরকার বলে তাঁরা জানান।
মোট ১৯৫টি দুর্গাপুজো অনুমোদিত রয়েছে ময়নাগুড়িতে, যার মধ্যে পৌরসভা এলাকায় মহিলা পুজো ৩১টি। চাহিদা থাকলেও শিল্পীদের অর্থনৈতিক দিক ক্রমশ চাপে পড়ছে। তাঁদের মতে, সরকারি উদ্যোগ ছাড়া এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে।













