দুর্গা পুজো থেকে কালীপুজো। দর্শক টানতে নানান থিম। কোনোটা আলো, প্যান্ডেল এমনকি প্রতিমার মুখ এবং গড়নে।
তবে তারকেশ্বরের শ্রাবণ যাত্রায় পুণ্যার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উন্মাদনা। তৃতীয় লিঙ্গ থেকে শুরু করে পুরুষ মহিলা কেউ বাদ নেই। ছোট রথ। কোথাও শিবের মূর্তি। কোন রথে আবার বজরংবলী। আর এসবের মধ্যেই নজর কেড়েছে অপারেশন সিদুর। বাঁকে তার ছবি নিয়ে বাবার মাথায় জল ঢালতে চলেছেন পুণ্য অর্জনের জন্য। রাস্তায় যদি দাঁড়িয়ে থাকা যায় তবে মনে হবে এ যেন শ্রাবণ যাত্রার অর্থাৎ তারকেশ্বর যাওয়ার রোড কার্নিভাল। বাবার কাঁধে শিশু।
মা নিয়ে চলেছেন বাক। ট্রেন থেকে শুরু করে গোটা রাস্তায় ধোয়ার কুণ্ডলী। গাঁজার গন্ধ ম ম করে বাতাসে ছড়িয়ে পড়েছে। হাওয়াই ভাসছে গঞ্জিকার কুন্ডলী পাকানো ধোঁয়া। এক হাত থেকে ফুলকে ঘুরে চলেছে বহুভাতে। চেনে হোক , রাস্তায় হোক কিংবা চলন্ত অবস্থাতেই হোক । গাজার কলকে হাতে হাতে ঘুরছে। প্রশ্ন করলে শুনতে হবে এত মহাপ্রসাদ। এই প্রসাদ গ্রহণ না করে কিভাবে তারকেশ্বরে যাব। প্রত্যেক বছরই শ্রাবণ মাসে পুণ্যার্থীরা বাবার মাথায় জল ঢালতে যান।কিন্তু এবার যেন উন্ন চেহারা। বাকি লাগানো এলইডি আলো ঝিকিমিকি খেলছে।
ভ্যানকে রথ বানিয়ে মাইক বাজিয়ে চলছে গান। ভক্তিগীতি নয়। শিবের স্তোত্র নয়। বরং বাজানো হচ্ছে এ আর রহমান এর সুর করা বন্দে মাতরম। আবার কোথাও বাজানো হচ্ছে। আবার কোথাও বাজানো হচ্ছে মা তুঝে সালাম। এইভাবে শয়ে শয়ে লোক হেঁটে চলেছেন তারকনাথের মাথায় জল ঢালতে। উদ্দাম গান আর সেই সঙ্গে উদ্দাম নাচ। বাদ নেই মহিলারাও। তারকেশ্বরে একটা কথা প্রচলিত হয়ে গিয়েছে তাহল শ্রাবণ মাসে এখানে আকাশে টাকা ওড়ে।তাই এবার দেখে মনে হচ্ছে এযেন দম মারো দম কার্নিভাল।













