আলিপুর চিড়িয়াখানার পর এবার নিউটাউনের মিনি জু-তেও দেখা মিলবে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের। আগামী বছরের মে মাসের মধ্যেই সেখানে বাঘ আনার পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য বনদপ্তর। জানিয়েছেন বনমন্ত্রী মনোজ ওঁরাও।এদিন নিউটাউনের হরিণালয় পরিদর্শনে গিয়ে পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন মন্ত্রী। তাঁর দাবি, বাঘ রাখার পরিকাঠামো তৈরির কাজ সম্পূর্ণ। প্রাথমিক ভাবনা অনুযায়ী, শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি পার্ক থেকে বাঘ আনা হতে পারে।
এর জন্য সেন্ট্রাল জু অথরিটির (সিজেডএ) কাছে অনুমতি চাওয়া হবে। পরিস্থিতি ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখে পরে বাঘের সংখ্যা বাড়ানো হবে।ইকো পার্কের ৬ নম্বর গেটের কাছে প্রায় সাড়ে ১২ একর জমিতে গড়ে উঠেছে এই মিনি জু। সেখানে হরিণ, জিরাফ, শিম্পাঞ্জি-সহ নানা প্রাণী রয়েছে। বাঘের জন্য তৈরি বিশেষ এনক্লোজারের ৭০ শতাংশেরও বেশি অংশ খোলা। রয়েছে বিশ্রামের গুহা ও ঘোরাফেরার জায়গা। কাচের দেওয়াল ও লোহার বেড়ার ওপার থেকে বাঘ দেখতে পাবেন দর্শকেরা। উপরের দিকে থাকবে বিদ্যুৎচালিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। যদিও ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও হরিণালয়ে বাঘ আনার পরিকল্পনা হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি।
এদিকে, বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে ছাড়া বাঘিনি অসমের রায়মনা জাতীয় উদ্যানে চলে গিয়েছে। বিহারের বাল্মিকি ব্যাঘ্র প্রকল্প থেকে আনা ওই বাঘিনিকে বক্সায় বাঘ ফেরানোর প্রকল্পের অংশ হিসেবে ছাড়া হয়েছিল। ট্র্যাকিং ডিভাইসে দেখা গিয়েছে, প্রথম কয়েক দিন বক্সায় থাকার পর সে ধীরে ধীরে অসম সীমান্তের দিকে এগিয়ে যায়। বর্তমানে রায়মনার গভীর জঙ্গলে সুস্থ অবস্থাতেই রয়েছে সে। মন্ত্রী জানিয়েছেন, অসমের বনদপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।বনকর্তাদের মতে, বক্সা ও রায়মনা একই ল্যান্ডস্কেপের অংশ, তাই বাঘের চলাচল স্বাভাবিক। তবে বাঘিনিটিকে ফেরাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হচ্ছে।















