Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

পুরভোটে ‘পুরনো-নব্য’ নয়, জয়ের ক্ষমতাই বিজেপির মাপকাঠি, বার্তা সুকান্তের

পুরভোটে ‘পুরনো-নব্য’ নয়, জয়ের ক্ষমতাই বিজেপির মাপকাঠি, বার্তা সুকান্তের

কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের সম্ভাব্য ভোটকে সামনে রেখে প্রার্থী বাছাইয়ের কৌশল স্পষ্ট করল বিজেপি। দলের অন্দরের পুরনো-নব্য বিভাজন কিংবা সাংগঠনিক পদে কার কত দিনের অভিজ্ঞতা—পুরভোটের টিকিট দেওয়ার ক্ষেত্রে আপাতত তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে নির্বাচনী ফল দেওয়ার ক্ষমতা। রবিবার এমনই বার্তা দিয়েছেন কলকাতা পুরভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সুকান্তের কথায়, “যাঁরা ভোটে জিততে পারবেন, তাঁরাই টিকিট পাবেন। সে ক্ষেত্রে প্রার্থীর জনপ্রিয়তা, সাধারণ মানুষের মধ্যে তাঁর পরিচিতি ও কাজকর্ম সবটাই পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে খতিয়ে দেখা হবে।” এই বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্য যথেষ্ট।

 

বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপির অভ্যন্তরে ‘পুরনো’ বনাম ‘নব্য’ নিয়ে যে টানাপড়েনের আলোচনা তৈরি হয়েছে, পুরভোটে অন্তত তার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই করতে চাইছে না দল। স্থানীয় স্তরে ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং জয়ের সম্ভাবনাকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিনের দলীয় কর্মী হওয়ার পরিচয় থাকলেই যে পুরভোটের টিকিট মিলবে, এমন নিশ্চয়তা থাকছে না। সাংগঠনিক দায়িত্ব আর নির্বাচনী প্রার্থী হওয়ার মাপকাঠিও এক নয় বলে জানিয়েছেন সুকান্ত। তাঁর বক্তব্য, সংগঠনের পদ বণ্টনের সময় অভিজ্ঞতা, দক্ষতা বা দলের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু ভোটের প্রার্থী নির্ধারণে মূল প্রশ্ন হবে কে আসনটি জেতাতে পারবেন। তাঁর কথায়, “সাংগঠনিক পদ দেওয়ার ক্ষেত্রে কে কত পুরনো বা দক্ষ, তা দেখা হতে পারে।

 

কিন্তু ভোটের ময়দানে একটাই হিসাব, যিনি জিততে পারবেন, টিকিট তাঁরই। প্রার্থীর জেতার সম্ভাবনা কতটা, সেটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।” ‘নব্য বিজেপি’ নিয়ে প্রশ্নের জবাবেও সুকান্ত পুরনো-নতুন বিভাজনের গুরুত্ব খারিজ করেছেন। তাঁর মন্তব্য, “নব্য বিজেপি আবার কারা? কাউকেই তো নতুন করে দল যোগদান করায়নি। এখন কেউ যদি নিজে থেকেই নিজেকে বিজেপি নেতা মনে করেন, তা হলে তো কিছু করার নেই!” সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে ডিসেম্বরেই কলকাতা ও হাওড়ায় পুরভোট হতে পারে। দুর্গাপুজোর পর প্রস্তুতি আরও গতি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দুই পুরনিগমের জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কলকাতার দায়িত্বে সুকান্ত, হাওড়ার দায়িত্বে রাজ্যসভার সাংসদ রাহুল সিনহা। ইতিমধ্যেই দুই শহরেই সাংগঠনিক বৈঠক শুরু হয়েছে। এখন নজর, ঘোষিত ‘জিততে সক্ষম’ নীতির বাস্তব প্রয়োগে শেষ পর্যন্ত কারা জায়গা পান।

READ MORE.....