Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

বকেয়া ডিএ-র জট খুলছে বিকাশ ভবনে

বকেয়া ডিএ-র জট খুলছে বিকাশ ভবনে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। রাজ্যের আধা সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া অবশেষে শুরু করল প্রশাসন। বিকাশ ভবন সূত্রে খবর, সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের কাজ ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে এই পদক্ষেপে আশার আলো দেখছেন কয়েক লক্ষ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলস্তরের শিক্ষক ও কর্মীদের তথ্যের পাশাপাশি সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির থেকেও বিশদ তালিকা চেয়ে পাঠিয়েছে উচ্চশিক্ষা দফতর।

 

মূলত ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত সময়কালের পাওনাগণ্ডার হিসেব কষতেই এই তোড়জোড়। ওই নির্দিষ্ট সময়ে কোন কর্মী কোন পদে ছিলেন, তাঁদের পে ব্যান্ড এবং গ্রেড পে কত ছিল— সবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ— এই তিন মাসের হিসেব আলাদাভাবে নেওয়া হচ্ছে যাতে গণনায় কোনও ত্রুটি না থাকে। নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ মিটলেই জারি হবে ‘ম্যাচিং অর্ডার’। এর পরেই শুরু হবে টাকা দেওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১৫ মার্চ। বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার ঠিক আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সমাজমাধ্যমে একটি বিশেষ বার্তা দিয়েছিলেন।

 

সেখানে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, ‘শুধুমাত্র রাজ্য সরকারি কর্মচারীই নন, শিক্ষক-শিক্ষিকা, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মী, স্বশাসিত সংস্থা এবং সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাও ডিএ পাওয়ার অধিকারী।’ মুখ্যমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেছিলেন যে, ‘রোপা-২০০৯ অনুযায়ী রাজ্য সরকারি কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং বিভিন্ন অনুদানপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বকেয়া ডিএ ২০২৬ সালের মার্চ মাস থেকে দেওয়া শুরু হবে।’ তবে মাঝে সরকারি কর্মীদের জন্য প্রক্রিয়া শুরু হলেও আধা সরকারি বা অনুদানপ্রাপ্ত কর্মীদের নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল।

 

সম্প্রতি নবান্নে অর্থ দফতরের সঙ্গে শিক্ষা দফতরের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর সেই বরফ গলতে শুরু করেছে। আধিকারিকরা দাবি করছেন, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের প্রাপ্য নিয়ে আর কোনও দোলাচল নেই। পর্যায়ক্রমে সকলের বকেয়াই মিটিয়ে দেওয়া হবে। বিকাশ ভবনের এই তৎপরতা দেখে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্য সরকার এবার কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে। এতে শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা স্তরে কর্মরত অগণিত মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ প্রশমিত হতে পারে। বকেয়া মেটানোর এই কর্মকাণ্ডে আপাতত সাজ সাজ রব সল্টলেকের শিক্ষা সদর দফতরে।

READ MORE.....