বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই শ্মশানে উদ্দাম নৃত্য করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ, বিধায়ক ও ক্যাডাররা। সোমবার দুর্গাপুরে রাজ্য বিজেপির তরফে হওয়া আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি বৈঠকে অংশ নেওয়ার পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই মন্তব্য করলেন আসানসোল দক্ষিণের বিদায়ী বিধায়ক তথা বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে পরপর দুদিন ঘটে যাওয়া ঘটনায় দুজনের মৃত্যুতে তিনি বলেন, এটাই হচ্ছে এগিয়ে বাংলা মডেল। এমন ঘটনা আরো ঘটবে।
আরো মৃত্যু হবে। রাজ্যের বর্তমান সরকার না যায় বা বরখাস্ত করা না হয়, তাহলে কোনকিছুই বন্ধ হবে না। এসআইআর বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন শেষে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু ৬০ লক্ষেরও বেশী ভোটারের নাম লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে বিচারাধীন রয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বিচারকেরা তা যাচাই করার কাজ করছেন। সেই কাজ চলাকালীন প্রথম পর্যায়ে সোমবার সন্ধ্যের পরে সাপ্লিমেন্টারী ভোটার তালিকা হওয়ার কথা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই রাজ্যে এসআইআরের বিরোধিতা করছে। এই এদিন আরো একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তার দলকে কটাক্ষ করেন অগ্নিমিত্রা পাল।
তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেস সবচেয়ে বেশি সরব হয়েছে মৃত, ডুপ্লিকেট, শিফটেড, রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে। তারা কিন্তু বাংলার আদিবাসী, জনজাতি অংশের মানুষদের নাম কাটা নিয়ে সবর হয়নি। কেননা, তৃণমূল কংগ্রেস ভুয়ো ভোটারদের ভোটে ২০১১ সালের পর থেকে বাংলায় জিতে আসছে। তাদের পাশে তো তারা তো থাকবেই। আগামী ২৬ মার্চ পান্ডবেশ্বর ও ২৮ মার্চ রানিগঞ্জে নির্বাচনী জনসভা করতে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলনেত্রীর এই জনসভাকে সামনে রেখে পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব দাবি করছেন, দল জেলায় ৯-০ হবে।
এই প্রসঙ্গে এদিন অগ্নিমিত্রা বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের এমন হাওয়ায় ডায়লগ দেওয়ার অভ্যেস আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে জেলায় যত বেশি যাবেন, সেখানে তৃনমুল কংগ্রেসের হারের মার্জিন ততো বাড়বে। গত ১৫ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার মানুষের কাছে মিথ্যে কথা বলা ও প্রতারণার মুখ হয়ে দাঁড়িয়েছেন। তার দলের সাংসদ ও বিধায়কেরা তো আছেন। এদিন দলের নির্বাচনী প্রস্তুতি বৈঠকের আলোচনা নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের কাছে কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, দলের রণকৌশল তো বলা যায় না। তবে আমাদের টার্গেট হলো জয়। সরকার বানাতে হবে। সরকার তো হবেই। দলের নেতা ও কর্মীরা প্রার্থীদের সঙ্গে আছেন।















