Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

‘ডিএ চাই এখনই’— বকেয়া ঘোষণা না হতেই পথে নামছে কেন্দ্রীয় কর্মীরা, ১৬ এপ্রিল দেশজুড়ে প্রতিবাদ

‘ডিএ চাই এখনই’— বকেয়া ঘোষণা না হতেই পথে নামছে কেন্দ্রীয় কর্মীরা, ১৬ এপ্রিল দেশজুড়ে প্রতিবাদ

নিয়মিত ঘোষণার জায়গায় এবার অস্বস্তিকর নীরবতা। মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা দেরি হতেই ক্ষোভে ফুঁসছে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা। অবশেষে চাপ বাড়াতে ১৬ এপ্রিল দেশজুড়ে প্রতিবাদের ডাক দিল কনফেডারেশন অব সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজ অ্যান্ড ওয়ার্কার্স।

 

সংগঠনের তরফে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, “১৬ এপ্রিল লাঞ্চ-আওয়ারে কর্মস্থলেই প্রতীকী বিক্ষোভ হবে— একটাই দাবি, অবিলম্বে ডিএ ও ডিআর ঘোষণা।” অর্থাৎ কর্মীরা রাস্তায় না নামলেও অফিসের ভিতরেই প্রতিবাদে সামিল হবেন।

 

ক্ষোভের মূল কারণ দেরি। সপ্তম বেতন কমিশন চালু হওয়ার পর ২০১৬ থেকে প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়েই ডিএ ঘোষণা হয়েছে। সাধারণত মার্চ মাসের মধ্যেই— বিশেষ করে হোলির সময়— সেই ঘোষণা আসত। কিন্তু এ বার এপ্রিল মাঝামাঝি পেরিয়েও কোনও সরকারি ঘোষণা নেই। ফলে প্রশ্ন উঠছে, কেন এই অস্বাভাবিক বিলম্ব?
কেন্দ্রীয় কর্মীদের বক্তব্য, “ডিএ বাড়ানো শুধু ভাতা নয়, মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।” একই সঙ্গে পেনশনভোগীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, কারণ ডিএ-র সঙ্গে যুক্ত ডিআর (ডিয়ারনেস রিলিফ) বৃদ্ধিও আটকে রয়েছে।

 

বর্তমানে আয়কর, ডাক বিভাগ, কৃষি, বোটানিক্যাল সার্ভে, জিওলজিক্যাল সার্ভে-সহ একাধিক দপ্তরের কর্মীরা এই বিক্ষোভে যোগ দিতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। ফলে আন্দোলনের প্রভাব ব্যাপক হওয়ারই ইঙ্গিত মিলছে।
উল্লেখ্য, শেষ ডিএ সংশোধন ঘোষণা হয়েছিল ২০২৫ সালের অক্টোবরে, যা কার্যকর হয় জুলাই থেকে। তার বকেয়াও কর্মীরা পেয়েছেন। কিন্তু ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকা পরবর্তী কিস্তি এখনও ঝুলে।

 

এই পরিস্থিতিতে কর্মীদের বার্তা স্পষ্ট— “আর অপেক্ষা নয়, ডিএ ঘোষণা নিয়ে সরকারকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।” এখন দেখার, ১৬ এপ্রিলের এই প্রতীকী প্রতিবাদ সরকারের উপর কতটা চাপ তৈরি করতে পারে।

READ MORE.....