Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

‘দেশকে উত্তর-দক্ষিণে ভাগের চেষ্টা রুখে দেব’, কড়া হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

‘দেশকে উত্তর-দক্ষিণে ভাগের চেষ্টা রুখে দেব’, কড়া হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সংসদের বিশেষ অধিবেশনে আজ রাজনৈতিক পারদ চরমে। লোকসভায় দাঁড়িয়ে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জাতিগত জনগণনা নিয়ে দেশজুড়ে চলমান বিতর্কের মাঝেই তিনি আজ স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, আসন্ন জনগণনায় ইতিমধ্যেই জাতিভিত্তিক তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং এর প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরুও হয়ে গিয়েছে। সংসদে বিল পেশ হওয়ার পর থেকেই বিরোধীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এদিনের বিতর্কে রাজনৈতিক তরজার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসে উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের মধ্যে বিভাজনের প্রসঙ্গ। বিরোধীদের সরাসরি নিশানা করে শাহ অত্যন্ত কড়া ভাষায় বলেন, “দেশের মধ্যে উত্তর-দক্ষিণের বিভাজন তৈরি করার একটি সুকৌশলী চেষ্টা চলছে। আমাদের এই বিভাজনের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে। তাঁরা (বিরোধীরা) দেশকে উত্তর এবং দক্ষিণ— এই দুই ভাগে খণ্ডিত করতে চাইছেন। কিন্তু আমরা কোনোভাবেই তা হতে দেব না।

 

জাতীয় অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতি দায়বদ্ধতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লোকসভার সদস্যদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, “যাঁরাই এই পবিত্র সদনে শপথ গ্রহণ করেন, তাঁরা প্রত্যেকেই এই দেশের নামে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থেই শপথ নেন।” তাঁর এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি প্রকারান্তরে বিরোধীদের সংসদীয় রীতিনীতি এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার বার্তা দিয়েছেন বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

 

উল্লেখ্য, সংসদের এই বিশেষ অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ বিল এবং সীমানা নির্ধারণ বা ডিলিমিটেশন বিলের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর বিষয়গুলি নিয়ে বিতর্ক চলছে। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, ডিলিমিটেশনের ফলে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি তাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব হারাবে। ঠিক সেই আবহেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্য সংসদের অধিবেশনে এক নতুন মাত্রা যোগ করল। জাতিগত জনগণনা এবং ডিলিমিটেশন ইস্যুতে আগামী দিনে ভারতীয় রাজনীতির সমীকরণ কোন পথে এগোয়, এখন সেটাই দেখার।

READ MORE.....