Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

উচ্চমাধ্যমিকে জটমুক্তি, শুরু নিয়োগের সুপারিশ

উচ্চমাধ্যমিকে জটমুক্তি, শুরু নিয়োগের সুপারিশ

দীর্ঘ আইনি জটিলতার মেঘ কাটিয়ে অবশেষে আলোর মুখ দেখলেন রাজ্যের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের চাকরিপ্রার্থীরা। মঙ্গলবার সল্টলেকের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) সদর দপ্তরে শুরু হলো একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের প্রথম পর্যায়ের কাউন্সেলিং। প্রথম দিনেই সব বাধা পেরিয়ে ৭০ জন যোগ্য প্রার্থীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বহু প্রতীক্ষিত সুপারিশপত্র। এই তালিকায় যেমন নতুন মুখ রয়েছেন, তেমনই আদালতের রায়ে হারানো সম্মান ফিরে পাওয়া প্রার্থীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

 

রাজ্যে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে মোট ১২,৪৪৫টি শূন্যপদ থাকলেও পর্ষদ প্রথম দফায় ৫০০টি পদের তালিকা পাঠিয়েছে। মঙ্গলবার ও বুধবার মিলিয়ে সাতটি বিষয়ের মোট ১৮২ জনকে ডাকা হয়েছে। প্রথম দিন সুপারিশপত্র হাতে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন অনেক হবু শিক্ষক। রাজারহাটের নৃতত্ত্বের ছাত্রী নাদিরা কালামের কথায়, ‘প্রথমবার পরীক্ষায় বসেই সুযোগ পেয়েছিলাম। অনিশ্চয়তা ছিল, কিন্তু আজ সুপারিশপত্র পেয়ে সব চিন্তা দূর হলো। এখন শুধু স্কুলে যোগ দেওয়ার অপেক্ষা।’ তবে নথিতে সামান্য ত্রুটি থাকায় এদিন দু-তিনজন প্রার্থীকে নিরাশ হয়ে ফিরতে হয়েছে। নিয়োগের এই গতি অবশ্য দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না। মার্চের দ্বিতীয়ার্ধের আগে দ্বিতীয় দফার কাউন্সেলিং শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।

 

এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার জানিয়েছেন, আগামী ১ ও ৮ মার্চ রাজ্যজুড়ে গ্রুপ-সি এবং গ্রুপ-ডি পদের বিশাল পরীক্ষা রয়েছে। প্রায় ১৭০০টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা পরিচালনার ভার কমিশনের কাঁধেই। ফলে মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত কর্মীরা সেই কাজেই ব্যস্ত থাকবেন। স্বাভাবিকভাবেই বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে সমস্ত শূন্যপদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এক প্রকার অসম্ভব বলেই মনে করছে কমিশন কর্তৃপক্ষ। চাকরিহারাদের অতিরিক্ত ১০ নম্বর দেওয়া বা আসন সংখ্যা বাড়ানো নিয়ে যে বিতর্ক ছিল, মঙ্গলবার উৎসবের আমেজে তা কার্যত ধামাচাপা পড়ে যায়। দীর্ঘ লড়াই আর চোখের জল শেষে সুপারিশপত্র হাতে পাওয়া প্রার্থীদের জয়োল্লাসে একাকার হয়ে যায় কমিশন চত্বর।

READ MORE.....