২৫ লাখ পরীক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসানের পর আজ ১৫ এপ্রিল প্রকাশিত হল সিবিএসইর দশম শ্রেণির ফলাফল। পাশ করেছেন ৯৩.৭০ শতাংশ পরীক্ষার্থী। ২০২৫ সালে ৯৩.৬৬ শতাংশ ছিল পাশের হার। তার থেকে এই বছর বেড়েছে পাশের হার। এবারের ফলাফলে মেয়েরা ছাপিয়ে গিয়েছে ছেলেদের। ভারতের ও ২৭ দেশের মোট ২৭,৩৩৯ স্কুল মিলিয়ে এদিনের সিবিএসইর ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরে, ১.৬৩ কোটি উত্তরপত্রের মূল্যায়ন হয়েছে।
নববর্ষে সিবিএসই-র দশম শ্রেণির ফলপ্রকাশের পরেই শুভেচ্ছা জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লিখেছেন, ‘চলতি বছরে সিবিএসই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল পড়ুয়াদের জন্য আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। তোমরা সকলেই ভবিষ্যতে আরও সফল হও, এই কামনা করছি। তোমাদের সাফল্যের পিছনে যে সকল শিক্ষক, শিক্ষিকা, পরিবার ও অভিভাবকরা রয়েছেন, তাঁদেরকেও বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলে না, মনোবল হারিয়ে ফেলো না। আমি নিশ্চিত ভবিষ্যতে সফল হবে তোমরা। আমার আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছা সবসময় তোমাদের সঙ্গে রয়েছে।’
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত আয়োজিত হয়েছে সিবিএসইর দশম শ্রেণির পরীক্ষা। প্রায় ২৫ লাখ পরীক্ষার্থী তাতে অংশ নেন। কবে এবারেও বোর্ডের তরফে কোনও মেধা তালিকা বা টপার লিস্ট প্রকাশ করা হয়নি। বোর্ড আবারও নিশ্চিত করেছে যে, তারা শিক্ষার্থীদের কোনও র্যা ঙ্ক দেবে না বা সেরা ফল করা শিক্ষার্থীদের কোনো তালিকা প্রকাশ করবে না। এছাড়াও, তারা প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় বিভাগ প্রদান করবে না।
এর পরিবর্তে, প্রতিটি বিষয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শীর্ষ ০.১ শতাংশ শিক্ষার্থীকে মেধা সার্টিফিকেট দেওয়া হবে। বোর্ড পরীক্ষার দ্বিতীয় পর্বের পর এই সার্টিফিকেটগুলো ডিজি-লকারের মাধ্যমে পাওয়া যাবে। সিবিএসই-র তরফে জানানো হয়েছে, আগামী মে মাসে ফের দ্বিতীয় দফার পরীক্ষার রয়েছে। চূড়ান্ত ফলপ্রকাশ করা হবে জুলাইয়ের পর। ভবিষ্যতের উচ্চশিক্ষা ও একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য এই ডিজিটাল মার্কশিটগুলো এখনই ডাউনলোড করে রাখার পরামর্শ দিয়েছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
চলতি বছরে ফলাফলের নিরিখে ছাত্রদের টেক্কা দিয়ে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। এবছর ছাত্রীদের পাশের হার ৯৮.৯৯ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রদের পাশের হার ৯২.৬৯ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর পাশের হার ০.০৪ শতাংশ বেড়েছে। পরীক্ষার খাতা দেখেছেন প্রায় ৭ লক্ষ শিক্ষক। জানা গিয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রেক্ষিতে যদি পারফরম্যান্স দেখা যায়, তাহলে দক্ষিণী রাজ্যগুলি এগিয়ে রয়েছে বলে দেখা যাচ্ছে। ত্রিবন্দম, বিজয়ওয়াড়া, এই দুটি জায়গাতেই পাশের হার ৯৯.৭৯ শতাংশ। এরপরই রয়েছে চেন্নাই ৯৯.৫৮ শতাংশ। প্রসঙ্গত, রিপোর্ট বলছে, এর আগেও, সিবিএসই-র পরীক্ষাগুলিতে দেশের নানান জায়গার মধ্যে দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে ভালো ফলের ট্রেন্ড দেখা গিয়েছে।















