Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে একগুচ্ছ নতুন নিয়ম নবান্নের

পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ মেটাতে একগুচ্ছ নতুন নিয়ম নবান্নের

মৃত সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) মেটাতে একগুচ্ছ নতুন নিয়ম ঘোষণা করল নবান্ন। বকেয়া ডিএ বা ডিআর (মহার্ঘ ত্রাণ) নিয়ে দীর্ঘদিনের আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা কাটাতে অর্থ দফতরের পেনশন শাখা এক বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে। এই পদক্ষেপের ফলে ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া টাকা পাওয়ার পথ প্রশস্ত হল প্রয়াত কর্মীদের উত্তরাধিকারীদের জন্য।

 

প্রশাসনের পর্যবেক্ষণ ছিল, বকেয়া মেটানোর প্রক্রিয়া চলাকালীন বহু প্রাপকেরই মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে তাঁদের প্রাপ্য টাকা বিলি করতে আইনি জট তৈরি হচ্ছিল। সেই জট খুলতেই এবার সুনির্দিষ্ট ‘মেকানিজম’ বা পদ্ধতি বাতলে দিল রাজ্য। নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে মনোনীত ব্যক্তি বা আইনগত উত্তরাধিকারীদের প্রয়োজনীয় নথি ও ব্যাঙ্ক ডিটেইলস জমা দিতে হবে। ডিএ বকেয়ার ক্ষেত্রে আবেদন করতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্মীর শেষ কর্মস্থলে।

 

অন্যদিকে ডিআর বকেয়ার জন্য যোগাযোগ করতে হবে পেনশন প্রদানকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। নবান্ন স্পষ্ট জানিয়েছে, যদি মনোনীত ব্যক্তি ও বর্তমান ফ্যামিলি পেনশনভোগী একই ব্যক্তি হন, তবে সরাসরি তাঁর অ্যাকাউন্টে টাকা চলে যাবে। তবে মনোনীত ব্যক্তির নাম নথিভুক্ত না থাকলে উত্তরাধিকারীদের আইনি প্রমাণপত্র জমা দিয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে। ডিএ গণনার ক্ষেত্রেও আধুনিক ও সরল পদ্ধতি বেছে নেওয়া হয়েছে। ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে দফতর ই-সার্ভিস বুক আপডেট করে ‘হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (এইচআরএমএস)-এর মাধ্যমে হিসাব কষবে।

 

আর ২০১৫ সালের পরবর্তী সময়ে মৃতদের ক্ষেত্রে যদি এইচআরএমএস আইডি থাকে, তবে অনলাইনেই দ্রুত নিষ্পত্তি হবে। আইডি না থাকলে পুরনো পদ্ধতিতেই কাজ এগোবে। সহায়তার জন্য নবান্ন একটি বিশেষ হেল্পলাইন নম্বর ‘০৩৩-২২৫৩৫৪১৭’ এবং ইমেল আইডি ‘ifms-wb@gov.in’ চালু করেছে। সরকারি মহলের আশা, এই নতুন গাইডলাইন কার্যকর হলে হাজার হাজার শোকসন্তপ্ত পরিবার তাঁদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য পাওনা দ্রুত হাতে পাবেন। প্রশাসনিক এই তৎপরতায় সরকারি কর্মীদের একাংশের ক্ষোভ কিছুটা হলেও প্রশমিত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে বকেয়া মেটানোর এই মেগা পরিকল্পনা এখন বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।

READ MORE.....