Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

৫ আগস্ট জলমগ্ন ঘাটাল পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , চলছে প্রস্তুতি

৫ আগস্ট জলমগ্ন ঘাটাল পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , চলছে প্রস্তুতি

ঝাড়গ্রাম সফরের আগেই মেদিনীপুরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার জলমগ্ন ঘাটালের বেশ কিছু এলাকা তিনি পরিদর্শন করতে পারেন বলেও প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই কারণে প্রস্তুতিও চলছে জোরকদমে। সূত্রের খবর, ঘাটাল থেকে ফিরে মেদিনীপুর সার্কিট হাউসে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী। পরের দিন যাবেন ঝাড়গ্রামে।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী, বুধবার ঝাড়গ্রামে শহরে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দু’টি কর্মসূচি। প্রথমটি, ভিন্‌রাজ্যে বাংলা ভাষা ও বাঙালিদের উপরে আক্রমণের প্রতিবাদে ঝাড়গ্রাম শহরে পদযাত্রা। দ্বিতীয়টি, প্রশাস‌নিক সভা। দলীয় সূত্রের খবর, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা থেকে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ ওই দুই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলও ইতিমধ্যে প্রস্তুতি নিয়েছে। সম্প্রতি এই বিষয়ে ঝাড়গ্রাম ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল নেতৃত্বকে নিয়ে কলকাতায় একটি বৈঠক করেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম।

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঝাড়গ্রাম একটি ছোট্ট জেলা। ফলে, মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচিতে ভিড় না-হলে দলের নেতাদের ‘মুখ পুড়বে’। ঝাড়গ্রাম জেলা থেকে বড়জোর হাজার তিরিশেক মানুষের জমায়েত হতে পারে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ওই ভিড় মোটেই প্রত্যাশিত নয়। তাই খড়্গপুরের অবাঙালিদের পাশাপাশি ঝাড়গ্রাম সংলগ্ন গড়বেতা, শালবনি, মেদিনীপুর সদর, খড়্গপুর গ্রামীণ এলাকা থেকে যাতে ৫০ হাজার দলীয় কর্মী-সমর্থকদের ঝাড়গ্রামে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। যাতে অন্তত এক লক্ষ মানুষের জমায়েত করা যায়। তারপর থেকেই এ নিয়ে প্রতিটি ব্লকে ব্লকে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে।

সেই প্রস্তুতিকে ঘিরে প্রকাশ্যে এসেছে খড়্গপুরের দলীয় কোন্দলের ছবিটাও। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, খড়্গপুর পুরসভার মিটিং হলে যখন প্রস্তুতি বৈঠক চলছে তখন উত্তেজিত হয়ে দলের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে সরব হন মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের সহ-সভাপতি অসিত পাল। তিনি অভিযোগ করেন, যাঁরা তৃণমূলেও নেই, বিজেপিতেও নেই তাঁদের নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। কয়েকজন তৃণমূল নেতা বিজেপির সঙ্গেও গোপনে যোগাযোগ রাখছেন। অসিতের বক্তব্যে তোলপাড় শুরু হয়। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অসিত বলেন, আমাদের দলে গণতন্ত্র রয়েছে। নিজেদের মতামত প্রকাশ করা যায়। এটা সম্পূর্ণ দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এ নিয়ে কিছু বলব না।

মেদিনীপুর সার্কিট হাউসে রাত্রিযাপনের সময়ে জেলা প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করতে পারেন বলেও অনুমান করা হচ্ছে। প্রশাসন ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এ ব্যাপারে এখনও কোনও সূচি বা নির্দেশিকা আসেনি। তবে জেলার উন্নয়নের খোঁজখবর নিতে জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করতেই পারেন। আবার দলের পরিস্থিতি, গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে জানতে জেলার শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বৈঠকের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আসার আশায় প্রহর গুনছেন জেলা প্রশাসনের কর্তা ও তৃণমূল নেতৃত্ব।

READ MORE.....