‘অসুর বিভিন্ন বেশে আসে। কখনো পুলিশ সেজে, কখনো ঝান্ডা নিয়ে আসে। তাঁদের বধ করো মা’, বীরভূমে এসে বললেন সজল ঘোষ। এদিন সজল ঘোষ বলেন, ‘আমরা মা কালির পুজো করছি, কোথাও মা চামুন্ডা রূপে, কোথাও মা কালী রূপে, কোথাও মা ছিন্নমস্তা রূপে। অসুর শক্তির বিনাশ চেয়ে এই পুজো করি আমরা। জগন্নাথ দা বলছিলেন মা মুন্ডমালিনী। কিন্তু মুণ্ড গুলো তো অনেক পুরনো হলো মা। আরো প্রচুর অসুর সমাজের আনাচে-কানাচে বিভিন্ন আকার নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেই অসুর গুলোরও বধ কর মা। মা কিন্তু এই অসুর বধ করতে রাস্তা দিয়ে খাড়া নিয়ে যাবেন না।
আপনাদের মধ্যে থেকে কাউকে কালি হয়ে, কাউকে দুর্গা হয়ে এই অসুর গুলোকে বধ করতে হবে। যেখানেই যে রুখে দাঁড়িয়েছে মা তার পাশেই থেকেছে আর অসুর পালিয়েছে। নন্দীগ্রামে রুখে ছিলেন শুভেন্দুবাবু, অসুর শক্তি পরাজিত। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে দিব্যি কেটে নিয়েছিল পুজো হতে দেবে না। সেখানেও অসুর শক্তি পরাজিত। অসুর বিভিন্ন বেশে আসে। কখনো পুলিশ সেজে, কখনো ঝান্ডা নিয়ে আসে’। প্রসঙ্গত শনিবার রাত্রে সিউড়ির রেডরোজ ক্লাবের কালী পূজা মন্ডপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সজল ঘোষ, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।















