শনিবার রাতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাসপুর থানার অন্তর্গত রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের সুরতপুর গ্রামে মনসা পূজা উপলক্ষে গ্রামবাসীদের খিচুড়ি প্রসাদ খাওয়ানো হয়েছিল। প্রায় ৩০০ জন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে খিচুড়ি প্রসাদ খেয়েছিলেম। শনিবার রাত্রি এগারোটা নাগাদ খিচুড়ি প্রসাদ খেয়ে গ্রামবাসীরা বাড়ি ফিরে যায়। তারপর থেকেই বমি ও পায়খানা শুরু হয় অনেকের।
রবিবার ভোর থেকেই একের পর এক গ্রামবাসীরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। যার মধ্যে শিশু ও মহিলা রয়েছে, রয়েছে গ্রামের বয়স্ক মানুষেরাও। ঘটনায় সুরতপুর গ্রাম জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে রবিবার সকালে ঘটনাস্থলে যায় দাসপুর এক ব্লকের বিডিও দীপঙ্কর বিশ্বাস, দাসপুর ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকুমার পাত্র সহ স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা ও কর্মীরা। অসুস্থ হয়ে পড়া কয়জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে দাসপুর ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুকুমার পাত্র জানান। তিনি বলেন, সুরতপুর গ্রামে মেডিক্যাল ক্যাম বসানো হয়েছে, ডাক্তার ও স্বাস্থ্য কর্মীরা গ্রামবাসীদের চিকিৎসা করছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে তিনি জানান।
দাসপুর এক ব্লকের অন্তর্গত রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন সুরতপুর গ্রামে শনিবার রাতে মনসা পূজার খিচুড়ি প্রসাদ খেয়ে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে জানালেন রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান চিন্ময় চক্রবর্তী। তিনি বলেন, খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে সম্ভবত এই ঘটনা ঘটেছে, এমনকি খিচুড়ি খেয়ে এলাকার বেশ কয়েকটি কুকুরও অসুস্থ হয়ে পড়েছে। জলের নমুনার পাশাপাশি খিচুড়ির নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তরের এক আধিকারিক জানান। তবে অসুস্থতার তালিকায় প্রায় ২৫ জন শিশু রয়েছে বলে গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়।















