পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ১৫ জন প্রার্থী এবং দলীয় নেতাদের নিয়ে ভোটের ১৪ দিন আগে, বৃহস্পতিবার বন্ধ ঘরে দু’দফায় বৈঠক করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, দলীয় নেতৃত্বকে চাঙ্গা হওয়ার জন্য ‘ডোজ়’ দেন তিনি। যদিও বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কোনও কথা বলেননি অভিষেক। মেদিনীপুরের সাংসদ জুন মালিয়া জানান, দলকে চাঙ্গা করার মন্ত্র দিয়েছেন অভিষেক। ‘সমন্বয়’ নিয়ে কোনও সমস্যা নেই বলেও দাবি করেছেন জুন।
পশ্চিম মেদিনীপুরে ১৫টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১৩টিই রয়েছে তৃণমূলের দখলে। মাত্র দু’টি রয়েছে বিজেপির। দলের একটি সূত্র বলছে, এ বার ১৫টি আসনই দখল করতে মরিয়া তৃণমূল। মনে করা হচ্ছে, জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে সে কথাই স্পষ্ট করেছেন অভিষেক। খড়্গপুরের চৌরঙ্গী এলাকার একটি লজে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে দু’দফায় বৈঠক করেন অভিষেক। তৃণমূল সূত্রে খবর, পশ্চিম মেদিনীপুরে যাঁরা তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন, তাঁরা ছাড়াও স্থানীয় কয়েক জন নেতা এবং মেদিনীপুরের সাংসদ জুন হাজির ছিলেন ওই বৈঠকে।
পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রথম দফায় অর্থাৎ ২৩ এপ্রিল নির্বাচন। তার আগে তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ অভিষেকের বৈঠকের পরে তাঁরা অনেকটাই উজ্জীবিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশ। সূত্রের খবর, অনেকে মনে করেন, এই ‘ডোজ়’ প্রয়োজন ছিল। সূত্রের খবর, প্রার্থী হতে না-পেরে কয়েক জন নেতার মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। দলের একটি সূত্র বলছে, কারা প্রচারে থেকেও নেই, কারা নেপথ্যে থেকে খোঁচা দিচ্ছেন, সেই বিষয়ে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কাছেও খবর গিয়েছে। গত মাসের শেষে নারায়ণগড়ে সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ভাষণেও সেই ইঙ্গিত মিলেছিল। মমতা বলেছিলেন, ‘‘আমরা এ বারে এই (নারায়ণগড়) কেন্দ্রে প্রার্থী বদল করেছি (বিধায়ক ছিলেন সূর্যকান্ত অট্ট)। নতুনদের সুযোগ দিতে হবে। যদি কেউ মনে করেন আজীবন আমি থাকব, এটা মনে করা ভুল। সকলকে নিয়ে চলতে হয়। মানুষের সঙ্গে থাকুন, মানুষের কাজ করুন। টিকিট পাননি বলে বিরোধিতা করতে হবে, এটা ঠিক নয়।















