Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

গণনাকেন্দ্রে কেন্দ্রীয় কর্মচারীরাই, কোর্টে শাসকদলের আর্জি খারিজ

গণনাকেন্দ্রে কেন্দ্রীয় কর্মচারীরাই, কোর্টে শাসকদলের আর্জি খারিজ

গণনা টেবিলে কেন্দ্রীয় কর্মীদের উপস্থিতিতেই সিলমোহর দিল কলকাতা হাই কোর্ট। প্রতিটি টেবলে অন্তত এক জন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীকে সুপারভাইজার বা সহকারী হিসেবে নিয়োগের যে সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নিয়েছিল, তাতে হস্তক্ষেপ করল না আদালত। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাও তৃণমূলের দায়ের করা মামলাটি খারিজ করে দিয়েছেন। আদালতের সাফ পর্যবেক্ষণ, কমিশনের এই সিদ্ধান্তে বেআইনি কিছু নেই। মামলাকারীর অভিযোগও কার্যত প্রমাণহীন।

 

তবে ভবিষ্যতে গণনায় কারচুপি ধরা পড়লে ‘ইলেকশন পিটিশন’-এর মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করার পথ খোলা রাখা হয়েছে। এ দিন সকালেই তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁর আপত্তির জায়গা ছিল মূলত সুপারভাইজার পদে একচেটিয়া কেন্দ্রীয় কর্মীদের নিয়োগ নিয়ে। তাঁর দাবি ছিল, কমিশন শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করছে এবং এই সিদ্ধান্ত তাঁরা মেনে নিতে পারছেন না। এই মর্মে তিনি মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়েছিলেন। কিন্তু দিনের শেষে স্বস্তি পেল না শাসকদল। আদালত সাফ জানিয়ে দিল, কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ বৈধ। রাজ্যে দু’দফার ভোট মিটেছে মোটের উপর শান্তিতেই। ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিলের ভোটের পর এখন নজর গণনাকেন্দ্রের দিকে।

 

এবার গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা কমিয়ে ৭৭টি করেছে কমিশন। প্রতিটি জেলার সুনির্দিষ্ট তালিকাও ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। ইভিএম এবং স্ট্রংরুমের নিরাপত্তায় কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না কমিশন। ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী তো থাকছেই, সেই সংখ্যা আরও বাড়ানোর তোড়জোড় চলছে। কমিশনের খবর অনুযায়ী, প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারা দিতে মোতায়েন থাকছেন অন্তত ২৪ জন কেন্দ্রীয় জওয়ান। আদালতের রায়ে গণনার দিন টেবিলেও এখন কেন্দ্রীয় কর্মীদের দাপট নিশ্চিত হয়ে গেল। কমিশনের এই সুরক্ষাকবচ এবং নিয়োগের কড়াকড়িকে শেষ পর্যন্ত আইনি মান্যতা দিল হাই কোর্ট। ফলে গণনা ঘিরে আপাতত বাড়তি চাপ বাড়ল রাজনৈতিক মহলের।

READ MORE.....