বুটজোড়া তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অ্যাশলি ইয়াং। চলতি মরশুম শেষে দুই দশকের বেশি সময়ের ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষণা দিয়েছেন প্রাক্তন ইংলিশ ফরোয়ার্ড । এখন চ্যাম্পিয়নশিপের দল ইপ্সউইচ টাউনের হয়ে খেলছেন ৪০ বছর বয়সী ইয়াং। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে ওয়াটফোর্ড, অ্যাস্টন ভিলা, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ইন্টার মিলান ও এভারটনের হয়ে খেলেছেন তিনি।
ক্লাব পর্যায়ে সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত সাড়ে সাতশর বেশি ম্যাচ খেলেছেন ইয়াং। ৮০- এর বেশি গোল ও ১০০- এর বেশি অ্যাসিস্ট করা ফুটবলার বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রাম বার্তায় দিয়েছেন বিদায়ের আগাম ঘোষণা । ‘ সেফটন রোড থেকে ভিকারেজ রোড, ভিলা পার্ক থেকে ওয়েম্বলি, ওল্ড ট্র্যাফোর্ড থেকে সান সিরো, আবার ভিলা পার্ক হয়ে গুডিসন পার্ক এবং সবশেষে পোর্টম্যান রোড। এমন এক যাত্রা ছিল, যার স্বপ্ন কেবল ছোটবেলায় দেখতাম । তবে এই স্বপ্নেরও শেষ হতে হবে এবং আগামী শনিবারের লড়াইটি হয়তো আমার পেশাদার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হতে যাচ্ছে । ‘ মরশুমের শেষ ম্যাচে আগামী শনিবার কিউপিআর এর মুখোমুখি হবে ইপ্সউইচ টাউন।
ওয়াটফোর্ড যুব দলে বেড়ে ওঠার পর, এই ক্লাবের হয়েই সিনিয়র ফুটবলে অভিষেক হয় ইয়াংয়ের ২০০৩ সালে। ২০০৬ সালে ক্লাবটিকে প্রিমিয়ার লিগে তোলার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি । ২০০৭ সালে অ্যাস্টন ভিলায় পাড়ি দেন ইয়াং। নিজেকে অন্য উচ্চতায় তুলে দুই বছর পর পেশাদার ফুটবলারদের সংস্থা-পিএফএ এর বর্ষসেরা তরুণ ফুটবলারের পুরস্কার জেতেন তিনি।
দারুণ পারফরম্যান্স করে ইউনাইটেডের নজর কাড়েন ইয়াং এবং ২০১১ সালে তাকে দলে টানে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবটি। সেখানে ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সফলতম সময় পার করেন তিনি। ২০১২-১৩ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা, ২০১৬ সালে এফএ কাপ এবং ২০১৭ সালে ইউরোপা লিগ জেতেন ইয়াং । ইউনাইটেডে খেলা ৯ মরশুমে উইঙ্গার থেকে ফুল-ব্যাকে রূপান্তরিত হন ইয়াং। ২০২০ সালে ক্লাব ছাড়ার আগে দলটির অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। এরপর ইন্টার মিলানের হয়ে সেরি আ জয়ের স্বাদ পান এই ফুটবলার। পরে অ্যাস্টন ভিলা, এভারটন ঘুরে এখন তিনি ইপ্সউইচে । ২০০৭-১৮ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের হয়ে ৩৯ ম্যাচ খেলেন ইয়াং। ২০১২ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ ও ২০১৮ সালে বিশ্বকাপে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি ।














