Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

ডিএ-ডিআর জট কাটছে প্রবীণদের

ডিএ-ডিআর জট কাটছে প্রবীণদের

বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) এবং মহার্ঘ ত্রাণ (ডিআর) মেটাতে বড়সড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই পেনশনভোগী ও পারিবারিক পেনশনভোগীদের প্রাপ্য বকেয়া মেটানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। শুক্রবার প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (এ অ্যান্ড ই) দফতর থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রক্রিয়ার খুঁটিনাটি প্রকাশ করা হয়েছে। ২০০৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া মেটানো হবে বলে জানা গেছে। তবে প্রাথমিক ভাবে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া প্রদানকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে প্রশাসন।

 

পেনশনভোগীদের এই বিপুল অঙ্কের টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এই অর্থ প্রদান করা হচ্ছে’। সূত্রের খবর, গোটা প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠু ভাবে পরিচালনার জন্য প্রতিটি পেনশনভোগীর জন্য পৃথক হিসাব তৈরি করা হচ্ছে। প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের তত্ত্বাবধানে এই জটিল হিসাব কষার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। কলকাতা পুরসভা এলাকার বিভিন্ন ব্যাঙ্ক থেকে তথ্য সংগ্রহের কাজও দ্রুতগতিতে চলছে।

 

রাজ্যের অর্থ দফতর, পিএজি দফতর এবং বিভিন্ন অনুমোদিত ব্যাঙ্কের পদস্থ আধিকারিকরা সম্প্রতি এক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানেই ঠিক হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলি দ্রুত প্রয়োজনীয় ডেটা সরবরাহ করবে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই বকেয়া নির্ধারণ করা হবে। জানা গেছে, বেশ কিছু ব্যাঙ্ক ইতিমধ্যেই তথ্য জমা দিয়েছে, বাকিদের দ্রুত নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। তথ্য যাচাই পর্ব শেষ হলেই ধাপে ধাপে টাকা পৌঁছবে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে।

 

তবে স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্তদের জন্য এখনই কোনও চূড়ান্ত গাইডলাইন দেওয়া হয়নি। ওই দফতর সূত্রের খবর, শিক্ষা জগতের অবসরপ্রাপ্তদের জন্য আলাদা নির্দেশিকা খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। বকেয়া ডিএ এবং ডিআর প্রদানের আইনি প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি নিয়ে একাধিক সরকারি আদেশ ইতিমধ্যেই কার্যকর হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই ডিজিটাল তৎপরতায় আশার আলো দেখছেন রাজ্যের লক্ষাধিক প্রবীণ পেনশনভোগী।

READ MORE.....