Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

শিউলি সাহাকে লক্ষাধিক ভোটে জেতানোর ডাক অভিষেকের

শিউলি সাহাকে লক্ষাধিক ভোটে জেতানোর ডাক অভিষেকের

রবিবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শিউলি সাহার সমর্থনে কেশপুর ব্লকের আনন্দপুরে নির্বাচনী জনসভা করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন জনসভা থেকে বলেন,’আমার প্রতিশ্রুতি মতো আমি ১৫৬টি রাস্তা, ১০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করে দিয়েছি। বাম সরকারের আমলে প্রশাসন বলে কিছু ছিল না, জামশেদ আলী ভবন থেকে কেশপুর পরিচালনা করত তরুণ রায়রা।

 

আগে যারা সিপিএম করত, জার্সি পাল্টে বামের লোকেরা রামে গেছে; মদটা একই, বোতলটা আলাদা। কেশপুরের ১৫টা অঞ্চলের মধ্যে আমাদের ডেফিসিট ছিল ১টায়, এবার আমরা ওটাও ফিরিয়ে নেব। সিপিএমের যেসব নেতারা বিজেপিতে গিয়ে লাফাচ্ছেন, তারা সতর্ক হয়ে যান। কেশপুরের কোলাগ্রাম এলাকায় যারা থাকেন—তন্ময় ঘোষ, সুবীর ঘোষ সাবধান হয়ে যান, নাহলে ৪ মে-র পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে-ও বাজানো হবে। ২৫ কোটি টাকা খরচ করে কেশপুর ও আনন্দপুর হাসপাতালকে উন্নীতকরণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মুগবসান অঞ্চলে বিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

 

কেশপুরে বাসস্ট্যান্ড তৈরি হবে নতুন। আমার বিশ্বাস আছে কেশপুর থেকে আবারও লক্ষাধিক ভোটে শিউলি সাহা জিতবে। কেশপুর হবে বিজেপির শেষপুর। ২০৩১ সালের মধ্যে প্রতিটি বাড়িতে নলবাহিত জল পৌঁছে যাবে, কেন্দ্রীয় সরকার সাহায্য করুক বা না করুক। বাংলার বাড়ির সুবিধা কেশপুরে ২৪ হাজার মানুষ পেয়েছে, আগামী দিনে সবার হবে। কেশপুর বিধানসভায় ৯০,৪৪৪ জন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ৯৬,০০০ মানুষ সাহায্য পেয়েছে। কেশপুর থেকে ২৪,০০০ যুবক-যুবতী যুবশ্রী পাচ্ছে। সবাই এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর আস্থা রেখেছে, আপনারাও রাখবেন—এটা আমার বিশ্বাস। যারা আবার সিপিএমের হার্মাদদের কেশপুরে ফিরিয়ে আনতে চাইছেন, ২৩ তারিখে ভোটটা আপনারা জোড়া ফুলে দিয়ে বুঝিয়ে দিন।

 

বাংলার মানুষকে মোদীজি শুধু লাইনে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে, এবার বাংলার মানুষ লাইনে দাঁড়িয়েই দিল্লির বাবুদের বেলাইন করে দেবে। বিজেপি ক্ষমতায় আসলে আপনাদের মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ করে দেবে, এবার আপনারা ভাবুন। আপনারা আশীর্বাদ ও ভালোবাসা দিন, আমরা কেশপুরকে উন্নয়নে ভরিয়ে দেব।’—আনন্দপুরের জনসভার মাঠ থেকে এই বার্তা দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি আরও বলেন, ‘কেশপুর থেকে আপনারা ১ লক্ষ ভোটে জয়লাভ করান, আমি কথা দিচ্ছি কেশপুরে ২০০ কোটি টাকার রাস্তা বানিয়ে দেব। নরেন্দ্র মোদী আসার আগে ৫০০ টাকার গ্যাস এখন ১০০০ টাকা হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের রান্নার জিনিসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে মোদী সরকার। বিজেপি আমাদের নাম কেটেছে, লাইনে দাঁড় করিয়েছে; আপনারা কেশপুর থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করিয়ে বুঝিয়ে দিন, এখানে কোনো সিপিএম-বিজেপির জায়গা নেই। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে মায়েরা ৫ বছরে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা পাচ্ছেন।

 

আপনি উন্নয়নে থাকবেন, না ভাঁওতাবাজিতে থাকবেন—চিন্তা করুন। বিজেপির রিপোর্ট কার্ড নিয়ে আমার সামনে আসুন, যদি লেজেগোবরে করতে না পারি তাহলে বলবেন। কেশপুরে বিজেপির বুথে বসার লোক নেই! যদি কেউ টাকা দিতে আসে তাহলে টাকা নিয়ে নিন, টাকা নিয়ে তৃণমূলের জোড়া ফুলে ভোটটা দিন। ৪ তারিখের পর বিজেপিদের দেখা যাবে না। এখন বিজেপির নেতাদের বাড়িতে ডেকে যে যা কাজ করতে চাইছে, ওদের দিয়ে করিয়ে নিন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস কেশপুর এলাকা সিপিএমের অত্যাচার ভুলে যায়নি। বেনাচাপড়ার ‘কঙ্কাল কাণ্ড’ কেশপুরের মানুষ ভুলে যায়নি। আপনারা আশীর্বাদ করুন, আমি আমার লোকসভায় যেভাবে উন্নয়ন করেছি, সেইভাবেই কেশপুরেও উন্নয়ন করব। ৪ মে-র পর আমি আবার আসব কেশপুরের মাটিতে। আপনাদের সাথে মিলিত হয়ে কেশপুর নিয়ে আলোচনা করব।’

READ MORE.....