Facebook
Twitter
LinkedIn
Threads
X
Email
WhatsApp
Telegram
StumbleUpon
Pinterest
Skype
Pocket

জেওয়ারে চিপ প্রকল্পের শিলান্যাসে মোদি, ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’র পথে ৩,৭০০ কোটির লগ্নি

জেওয়ারে চিপ প্রকল্পের শিলান্যাসে মোদি, ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’র পথে ৩,৭০০ কোটির লগ্নি

সিলিকন বিপ্লবের পথে আরও এক ধাপ এগোল ভারত। শনিবার উত্তরপ্রদেশের জেওয়ারে ‘ইন্ডিয়া চিপ প্রাইভেট লিমিটেড’-এর সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই প্রকল্পের সূচনা করে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, আগামী দিনে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ চিপই হবে উন্নত ভারতের প্রধান ভিত্তি। আত্মনির্ভরতার সংকল্প নিয়ে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ক্ষুদ্র চিপ বিশ্বমঞ্চে ভারতের শক্তি প্রদর্শন করবে।

 

শিলান্যাস অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী কোভিডের সেই কঠিন সময়ের কথা মনে করিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারির সময় ক্ষুদ্র সেমিকন্ডাক্টর চিপের সরবরাহ শৃঙ্খল দুর্বল হয়ে পড়ায় বহু দেশের অর্থনীতি থমকে গিয়েছিল এবং বিভিন্ন কারখানার কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই দেশীয় চিপ উৎপাদনে জোর দেওয়া হচ্ছে।’ বিশ্ববাজারের অস্থিরতার মোকাবিলা করতে ভারত যে নিজের পায়ে দাঁড়াতে মরিয়া, মোদীর গলায় ছিল সেই আত্মবিশ্বাসের সুর। যমুনা এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন এলাকায় তৈরি হওয়া এই কারখানাটি আসলে এইচসিএল এবং ফক্সকন-এর একটি বড়সড় যৌথ উদ্যোগ। এই দুই সংস্থার ৬০:৪০ শতাংশের অংশীদারিতে ৩,৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মূলত ডিজিটাল স্ক্রিনের ‘মস্তিষ্ক’ বা ডিসপ্লে ড্রাইভার চিপ তৈরি হবে এখানে।

 

২০২৮ সালের মধ্যে কারখানাটি পুরোপুরি সচল হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ভারতের এই উত্থানকে পরিসংখ্যান দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর দাবি, গত ১১ বছরে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনে ভারত এতটাই শক্তিশালী হয়েছে যে, রপ্তানিতে দেশ এখন বিশ্বে তৃতীয় স্থানে। প্রস্তাবিত এই কারখানা থেকে মাসে প্রায় ৩.৬ কোটি চিপ তৈরি হবে। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মতে, জেওয়ার এখন দেশের অন্যতম শিল্পকেন্দ্র। এই প্রকল্পের হাত ধরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৩,৫০০ মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফক্সকনের বব চেন এবং এইচসিএল-এর রোশনি নাদারও মনে করছেন, এই কারখানা আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতের প্রযুক্তিগত দাপট বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। ফাইল ফটো ।

READ MORE.....